যশোর শিক্ষা বোর্ডে ২০২৩-২০২৪ অর্থ বছরে পরীক্ষার খাতা কেনায় অডিট আপত্তি দেয়া হয়েছে। এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার খাতা কেনায় ভ্যাট পরিশোধ না করায় ১১ কোটি টাকার অডিট আপত্তি দেয়া হয়েছে বলে জানিয়ে বোর্ড কর্তৃপক্ষ। বাংলাদেশ রাজস্ব বোর্ড থেকে এ বিষয়ে বোর্ডে চিঠি দেয়া হয়েছে।
বোর্ডের অডিট অফিসার খুরশিদ আলম মল্লিক জানান, ২০২৩-২০২৪ অর্থ বছরে বোর্ডের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার খাতা কেনার টেন্ডার দেয়া হয় ঢাকার এলিট কোম্পানীকে। টেন্ডারের মাধ্যমে কোম্পানীর কাছ থেকে ১১ কোটি টাকার খাতা কেনা হয় । তারা খাতায় বোর্ডের মনোগ্রাম ছাপিয়ে দেয়। এ খাতা কেনায় ভ্যাট আসে ৮২ লাখ ৫০ হাজার । ভ্যাট পরিশোধ করবে কোম্পানী। তারা সেটা করেনি। গত বছরের ১৫ ডিসেম্বর থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত শিক্ষা বোর্ডে অডিট করে বাংলাদেশ রাজস্ব বোর্ড। অডিটকালে দেখা গেছে ১১ কোটি টাকার খাতা কেনায় ৮২ লাখ ৫০ হাজার ভ্যাট পরিশোধ না করায় অডিট আপত্তি দেখিয়েছে তারা। গত মাসের প্রথম দিকে বাংলাদেশ রাজস্ব বোর্ড থেকে এ সংক্রান্ত চিঠি বোর্ডে আসে। চিঠি পাওয়ার পর বোর্ড থেকে কোম্পানীকে ভ্যাটের টাকা পরিশোধ করার জন্য চিঠি দেয়া হয়েছে।
অডিট অফিসার আরো জানান, কোম্পানী থেকে জানানো হয়েছে ২০১৯ সালে সরকারি চিঠি আছে শিক্ষা উপকরণ কিনলে ভ্যাট দেয়া লাগবে না। তবে বাংলাদেশ রাজস্ব বোর্ড থেকে জানানো হয়েছে শিক্ষা বোর্ডে পরীক্ষার খাতা ক্রয় শিক্ষা উপকরণের মধ্যে পড়ে না। একারনে ভ্যাট দিতে হবে।
বোর্ড থেকে ভ্যাট পরিশোধ করার জন্য কোম্পানীকে চিঠি দেয়া হয়েছে। চিঠি পাওয়ার পর কোম্পানী যদি ভ্যাটের টাকা পরিশোধ না করে তাহলে কালো তালিকাভুক্ত করা হবে। পরবর্তীতে এ কোম্পানীকে বোর্ডের কোনো কাজ দেয়া হবে না।
এ ব্যাপারে বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মোসাম্মৎ আসমা বেগমকে একাধিকবার ফোন দিলে তিনি রিসিভ করেননি।