মাদারীপুর জেলা প্রতিনিধি
সাংবাদিকতার শুরু ১৯৮৫ সাল থেকে । আগ্রহের বিষয়: জাতীয় ,অপরাধ।
মাদারীপুর সদর উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হয়েছেন ভাতিজা আসিবুর রহমান খানই। বুধবার (৮ মে) রাতে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন শাজাহান খানের বড় ছেলে আসিবুর রহমান খান। তার কাছে অল্প ভোটের ব্যবধানে হেরে গেলেন শাজাহান খানের চাচাতো ভাই ও আসিবুর রহমান খানের চাচা দুই বারের সাবেক সদর উপজেলা চেয়ারম্যান পাভেলুর রহমান শফিক খান।
মাদারীপুরে পুলিশে চাকুরি দেয়া প্রলোভন দেখিয়ে ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ পাওয়া গেছে দুই পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে।এই ঘটনায় অভিযুক্ত দুই পুলিশের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দেয়া হয়েছে পুলিশ সুপার বরাবর। এদিকে টাকা লেনদেন সংক্রান্ত একটি ভিডিও এই প্রতিবেদকের কাছে এসেছে। ভিডিওতে দেখা যায় পুলিশ সদস্য তানজিলা আক্তার স্থানীয় একটি দোকানে অবস্থান করে এক হাজার টাকার কয়েকটি বাল্ডিল নিচ্ছেন।
মাদারীপুরে স্বস্তির বৃষ্টিতে পরিবেশ শীতল হলেও এসময়ে বজ্রপাতের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (৬ মে) বিকেল থেকে বৃষ্টিপাত হলেও এই সময় বজ্রপাতে পৃথক ঘটনায় ২ জন মারা যায়। বৃষ্টির সাথে ঝড়ো বাতাস বয়ে যাওয়ার কারণে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে মাদারীপুরের অধিকাংশ গ্রামে।
মাদারীপুর সদর উপজেলা নির্বাচনে দুই চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময়ে বোমা বিস্ফোরণ হলে এতে আহত হয়েছে অন্তত ১০ জন।
মাদারীপুর সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী শাজাহান খানের ছেলে আসিবুর রহমান খান তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী শফিক খানের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ নিয়ে রবিবার (৫ মে) বেলা ১১টায় নিজ বাসভবনে সংবাদ সম্মেলন করেছেন।
ছেলে হোক, মেয়ে হোক দু’টি সন্তানই যথেষ্ট, এই শ্লোগানকে বুকে লালন করে মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের উদ্যোগে এক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। কর্মশালা বিষয় ছিল পরিকল্পিত পরিবার গঠন, বাল্যবিয়ে ও কৈশোরে গর্ভধারণ প্রতিরোধ, কিশোর কিশোরীদের প্রজনন স্বাস্থ্য, পুষ্টি,নিরাপদ মাতৃত্ব ও নবজাতকের যত্ন এবং জেন্ডার বিষয়ক উদ্বুদ্ধ করণ।
মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলায় গাছ বোঝাই ট্রাক আর ইজিবাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষে ২ জন নিহত হয়েছে। এতে আরো ৩ জন গুরুতর আহত হয়। শনিবার (৪ মে) সকাল ৯টার দিকে রাজৈর—শ্রীনদী আঞ্চলিক সড়কের বদরপাশা ইউনিয়নের কাঠায়িলা বিজ্রের পাশে এঘটনা ঘটে।
অবশেষে গ্রামের বাড়ি পৌঁছালো তিউনিসিয়ায় নৌকাডুবির ঘটনায় মারা যাওয়া ৮ বাংলাদেশির মরদেহ। ভূমধ্যসাগর নৌকাডুবিতে মারা যাওয়ার ৭৮ দিন পরে বাড়িতে লাশ পৌঁছালে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন স্বজনরা। পরে লাশগুলো পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।