মাদারীপুর জেলা প্রতিনিধি
সাংবাদিকতার শুরু ১৯৮৫ সাল থেকে । আগ্রহের বিষয়: জাতীয় ,অপরাধ।
এতে অংশগ্রহণ করেছে জেলা বিএনপির নেতা-কর্মীরা ও কোটা বিরোধী আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা। সোমবার (৬ আগস্ট)সকাল ১০টার দিকে লেকেরপাড়ের মুক্ত মঞ্চ থেকে একটি আনন্দ মিছিল বের করে শিক্ষার্থীরা। অন্যদিকে জেলা বিএনপি সকাল সাড়ে ১০টায় পৌর ঈদগাহ থেকে মিছিল বের করে।
জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) সকাল থেকে কোটা বিরোধী শিক্ষার্থীরা মাদারীপুরের প্রধান প্রধান সড়ক অবরোধ করলে কোটা বিরোধী আন্দোলনের শিক্ষার্থীদের সাথে ছাত্রলীগ ও পুলিশের দফায় দফায় ধাওয়া পালটা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। সেসময় পুলিশ ধাওয়া দিয়ে শিক্ষার্থীদের লেকের পড়ে নিয়ে যায়। সেখানে পুলিশের লাঠিচার্জ করলে শিক্ষার্থীরা লেকের পানিতে লাফিয়ে পড়তে থাকে।
আহতরা হলেন, মাদারীপুর পৌরসভার ০১নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগ সভাপতি ও কলেড রোড এলাকার দুলাল হাওলাদারের ছেলে তানজুল ইসলাম তায়েব হাওলাদার (২১) ও ফিরোজ হাওলাদারের ছেলে আশিক হাওলাদার (১৮)। তাৎক্ষণিক বাকিদের নাম পাওয়া যায়নি।
মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তারা বলেন, রাজৈর উপজেলার বদরপাশা ইউনিয়নের দুর্গাবর্দী গ্রামের আজিজ কাজীরছেলে কামরুল কাজী সাথে একই উপজেলার বাজিতপুর গ্রামের অহিদুল শেখের মেয়ে সুমা আক্তারের গত বছরের ৫ এপ্রিলমাসে বিয়ে হলে। এরপরে সুমার স্বামী কামরুল দক্ষিণ আফ্রিকা চলে যায়। এদিকে সুমার বাবার বাড়ির পরিবার গরীব হওয়াতে
উপজেলার কুতুবপুরে পদ্মা রেল স্টেশন সংলগ্ন এলাকা, পৌরসভার শেখ হাসিনা সড়ক,চরশ্যামাইলে প্রস্তাবিত স্থান পরিদর্শন এসে আইনমন্ত্রীর সাথে উপস্থিত ছিলেন সংসদের চিফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী , আইন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. গোলাম সারওয়ার, আইন মন্ত্রনালয়ের যুগ্ম সচিব বিকাশ কুমার সাহা, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মুনির চৌধুরী, জেলা প্রশাসক মারুফুর রশীদ খান, পুলিশ সুপার মোঃ মাসুদ আলম, উপজেলা চেয়ারম্যান ডা: মো: সেলিম, পৌর মেয়র মোঃ আওলাদ হোসেন খান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন প্রমুখ।
এ সময় ঢাকা থেকে ফরিদপুরের ভাঙ্গামুখী লেনে দিয়ে যান চলাচল বন্ধ যায়। সড়কে শত শত যানবাহন আটকা পরে।দেড়ঘন্টা পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।হাইওয়ে পুলিশ সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার (৪ জুলাই) সকাল আটটার দিকে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা খুলনাগামী একটি ট্রাকের
মঙ্গলবার (২ জুলাই) মাদারীপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মস্তফাপুর এলাকার প্রধান কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নিয়ে অনির্দিষ্টকালের জন্য এ কর্মবিরতি পালন করেছেন। এ সময় অনুষ্ঠিত প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য দেন মাদারীপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির এজিএম মো. হাবিবুর রহমান, সুবাস চন্দ্র দাস প্রমুখ।
পরে স্থানীয় লোকজন ৯৯৯ এ ফোন দিয়ে থানা পুলিশের সহযোগীতায় ওই গৃহবধূকে উদ্ধার করেছেন। এদিকে স্থানীয় সচেতন মহলে এই ঘটনা জানাজানি হলে ওই এনজিওর বিরুদ্ধে চরমক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এবং অভিযুক্তদের বিচার দাবি জানান। রোববার (৩০ জুন) দিবাগত রাত ১১টার দিকে কালকিনি উপজেলার গণউন্নয়ন প্রচেষ্টার অফিস কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (১ জুলাই) সকালে উপজেলা প্রশাসন ও ভূক্তভোগী পরিবার এ তথ্য নিশ্চিত করেন।