চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার সাতকপাট ব্রিজ সংলগ্ন সড়কে সংঘটিত ছিনতাইয়ের ঘটনায় এক আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এসময় ছিনতাইকৃত একটি মোবাইল ফোন ও ছিনতাই কাজে ব্যবহৃত মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়।পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আলমডাঙ্গা উপজেলার বেলগাছি গ্রামের আনোয়ার হোসেনের ছেলে সাকিল আহাম্মেদ (২৩) আলতায়েবা মোড় এলাকার ফ্রেন্ডস মেডিসিন কর্নার নামের একটি ফার্মেসিতে কর্মচারী হিসেবে কাজ করেন। গত ২৯ এপ্রিল রাত আনুমানিক ৮টা ৫৫ মিনিটে তিনি কর্মস্থল থেকে বাইসাইকেল যোগে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেন। পথে হাউসপুর মোড় এলাকা থেকে তার পরিচিত শরিফুল ইসলাম (৩৫) ও সাত্তার আলী (৩৩) তার সঙ্গে যোগ দেন। রাত আনুমানিক সাড়ে ৯টার দিকে তারা আলমডাঙ্গা থানাধীন সাতকপাট ব্রিজ সংলগ্ন পাকা সড়কে পৌঁছালে পিছন দিক থেকে দুটি মোটরসাইকেলে আসা ৩ থেকে ৪ জন দুর্বৃত্ত তাদের পথরোধ করে। এসময় দুর্বৃত্তরা খুন-জখমের হুমকি দিয়ে সাকিল আহাম্মেদের হাতে থাকা HONOR 200 মডেলের একটি মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। ছিনতাইকৃত মোবাইল ফোনটির আনুমানিক মূল্য ৩৪ হাজার টাকা।এ ঘটনায় ভুক্তভোগী সাকিল আহাম্মেদের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে আলমডাঙ্গা থানায় ১ মে একটি মামলা দায়ের করা হয়। মামলাটি পেনাল কোডের ৩৯২ ধারায় রুজু করা হয়েছে।পরে চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশের সার্বিক তত্ত্বাবধানে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ। অভিযানে কুষ্টিয়া জেলার ইবি থানার শংকরদি (গড়গড়ি পাড়া) গ্রামের রেজাউল করিম পিন্টুর ছেলে সাহিল রহমান ডন (২৭) কে গ্রেফতার করা হয়। গত ২ মে রাত ১২টা ৪৫ মিনিটের দিকে আলমডাঙ্গা থানাধীন বেলগাছী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সামনে থেকে তাকে আটক করা হয়।পুলিশ জানায়, গ্রেফতারকৃত আসামির কাছ থেকে ছিনতাইকৃত HONOR 200 মডেলের মোবাইল ফোন এবং ছিনতাই কাজে ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে।এ ঘটনায় জড়িত অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।






