‘মেহেদীর রঙে শুরু হোক ঈদের আনন্দ’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) নারী শিক্ষার্থীদের জন্য আয়োজন করা হয়েছে ‘মেহেদী উৎসব’।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬টি ছাত্রী হলের তারুণ্যদীপ্ত ছাত্রীদের আয়োজনে এবং শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কৃষিবিদ মো. আতিকুর রহমানের পৃষ্ঠপোষকতায় ওই মেহেদী উৎসবের আয়োজন করা হয়।
শুক্রবার (৬ মার্চ) বিশ্ববিদ্যালয়ের হেলিপ্যাডে ওই আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানের বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়, অংশগ্রহণকারীরা নিজেদের মেহেদী ডিজাইনের ছবি ফেসবুকে হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করে পোস্ট করেন। এরপর সেই পোস্টগুলোর লাইক, কমেন্ট ও শেয়ার বিবেচনায় বিজয়ী নির্বাচন করা হয়। এছাড়া অংশগ্রহণকারীদের জন্য কুপন ব্যবস্থার মাধ্যমে লটারির আয়োজন করা হয়, যেখানে ভাগ্যবান ১০ জনকে পুরস্কৃত করা হয়।
এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি অনুষদের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী তাসমিয়া ফাইরুজ বলেন, ‘ক্যাম্পাসে এরকম সুন্দর উৎসব আয়োজন পেয়ে আমরা খুবই আনন্দিত। চারপাশে একটা উৎসব উৎসব আমেজ বিরাজ করছে। মেহেদী উৎসবের মধ্য দিয়ে ক্যাম্পাসে ঈদের খুশি আগেই চলে এসেছে। ক্যাম্পাসে এসেই এরকম আয়োজন পাওয়ার অনুভূতি আসলে ভাষায় ব্যক্ত করা যাবে না।’
অনুষ্ঠানটির পৃষ্ঠপোষক শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কৃষিবিদ মো. ও আতিকুর রহমান বলেন, ‘বাকৃবিতে মেহেদী উৎসবের মতো এমন অনন্য আয়োজন এই প্রথম। আগে গ্রামবাংলায় দেখা যেত, মানুষ মেহেদী গাছ থেকে পাতা তুলে নিজের হাতে কিংবা প্রিয়জনের হাতে মেহেদী পরিয়ে দিত। কিন্তু নগরায়নের এই ব্যস্ত জীবনে সেই সুন্দর সংস্কৃতিটি প্রায় হারিয়ে যেতে বসেছে। ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে লালন করার ক্ষেত্রে বাকৃবি সবসময়ই বিশেষ ভূমিকা রেখে এসেছে। সেই ধারাবাহিকতায় আমরা আবারও এই হারিয়ে যেতে থাকা ঐতিহ্যকে সবাই মিলে ভাগাভাগি করে একসাথে উপভোগ করছি। আমরা আশা করি, ভবিষ্যতেও আমাদের ক্যাম্পাসে এমন সৃজনশীল ও ঐতিহ্যভিত্তিক আয়োজন আরও বেশি করে অনুষ্ঠিত হবে।’
বাকৃবি ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আনিকা তাবাসসুম খান জানান ভবিষ্যতে আরও বৃহৎ পরিসরে এ ধরনের আয়োজন করার পরিকল্পনা রয়েছে।






