ধামরাই,ঢাকা
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
রোববার (১ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের ফুড সেইফটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের শিক্ষার্থী ও অন্যতম সমন্বয়ক নুবাহ নাশিতা ফারিহাত বিষয়টি নিশ্চিত করেন। শিক্ষার্থীরা এই প্রকল্পের নাম নির্ধারণ করেছেন ‘আশা নীর’। প্রায় ১০০ জন বানভাসি মানুষকে সহায়তা করার উদ্দেশ্যে এই প্রকল্পটি গ্রহণ করা হয়েছে।
বন্যা এলাকার গবাদিপশুদের ত্রাণ দিলো বাকৃবি শিক্ষার্থীরা/ ব্যতিক্রমধর্মী আয়োজনে বাকৃবি শিক্ষার্থীরা, ত্রাণ পেলো গবাদিপশু
মাইক্রোবায়োলজি এন্ড হাইজিন বিভাগের অধ্যাপক ড. কে. এইচ. এম. নাজমুল হুসাইন নাজির ও লাইভস্টক অ্যান্ড পোলট্রি ভ্যাকসিন রিসার্চ এন্ড প্রোডাকশন সেন্টারের কর্মচারীরা সিসিটিভি ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করে ওই চোরকে আটক করেন বলে জানান। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটককৃত চোর ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে।
এবার শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে বুধবার (২৮ আগস্ট) রাত ১১টার দিকে সিন্ডিকেট অধিবেশনের গৃহীত সিদ্ধান্ত সংশোধন করতে বাধ্য হয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। সংশোধিত বিজ্ঞপ্তিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণার সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখার স্বার্থে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা এবং কর্মচারীদের সকল প্রকার রাজনীতি, সভা-সমাবেশ, মিছিল- মিটিং নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
গত মঙ্গলবার (২০ আগষ্ট) ডিন কাউন্সিলের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. খন্দকার মো. মোস্তাফিজুর রহমান বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্থিক ও প্রশাসনিক দায়িত্ব পান। পরবর্তী উপাচার্য নিয়োগ না হওয়া পর্যন্ত এ দায়িত্ব পালন করবেন বলে জানা যায়। এরপর গত বুধবার (২১ আগষ্ট) সংস্থাপন শাখার অ্যাডিশনাল রেজিস্ট্রার ড. মো. হেলাল উদ্দীনকে ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রারের দায়িত্ব প্রদান করা হয়।
বৃহস্পতিবার (১৫ আগষ্ট) দুপুর ১২ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি অনুষদ সংলগ্ন করিডোরে সোনালী দলের শিক্ষকরা ওই সভার আয়োজন করেন। অনুষ্ঠিত সভায় ওই দাবি জানান সোনালী দলের শিক্ষকরা।সভায় উপস্থিত শিক্ষকরা স্বৈরাচারী এবং ছাত্র - জনতা হত্যাকারী শেখ হাসিনা এবং তার দোসরদের অতি দ্রুত বিচারের আওতায় আনার দাবি জানায়।
রবিবার (১১ আগস্ট) ড. এমদাদুল হক ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে বাংলাদেশ সচিবালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বিভাগের সচিব বরাবর পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন বলে জানা যায়।
মঙ্গলবার (৬ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৫টায় সকলের জন্য ন্যায় বিচার ও সাম্প্রদায়িক হামলাসহ সকল সহিংসতা রুখে দাঁড়ানোর দাবি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার থেকে বিজয় ৭১ পর্যন্ত পদযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়।