সুনামগঞ্জে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৫ টি আসনে মোট ১২ জন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। এরমধ্যে এক আসনে ১ জন, দুই আসনে ১ জন, তিন আসনে ৫ জন,
চার আসনে ২ জন এবং পাঁচ আসনে ৩ জন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেন সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা ড. মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়া।
জেলায় যাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে তাঁর হলেন, সুনামগঞ্জ-১ আসনে নেজামে ইসলাম বাংলাদেশের মাওলানা মুজাম্মিল হক তালুকদার (প্রাপ্ত ভোট ১১৮৪) পেয়ে জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। এই আসনে ২ লক্ষ ৫৫ হাজার ৯২৪ জন ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।
সুনামগঞ্জ-২ আসনে বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির নিরঞ্জন দাস (কাস্তে প্রতীকে) প্রাপ্ত ভোট ১২৩২ পেয়ে জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। এই আসনে ১ লক্ষ ৬৭ হাজার ৪৯৭ জন ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।
সুনামগঞ্জ-৩ আসনে জামানত বাজেয়াপ্তরা হলেন- বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী
অ্যাডভোকেট শাহীনূর পাশা চৌধুরী (রিক্সা), স্বতন্ত্র প্রার্থী মাহফুজুর রহমান খালেদ তুষার (টেবিল ঘড়ি), খেলাফত মজলিসের প্রার্থী শেখ মুশতাক আহমদ (দেওয়াল ঘড়ি), আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) প্রার্থী সৈয়দ তালহা আলম (ঈগল) ও স্বতন্ত্র প্রার্থী হুসাইন আহমেদ (ফুটবল)।
সুনামগঞ্জ ৪ আসনে জাতীয় পার্টির মো. নাজমুল হুদা (লাঙ্গল প্রতীকে) প্রাপ্ত ভোট ১৭৮৯ ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের শহীদুল ইসলাম (প্রাপ্ত ভোট ১৯৩৫) পেয়ে জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। এই আসনে ২ লক্ষ ৯ হাজার ৫৫৬ জন ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।
সুনামগঞ্জ-৫ আসনে এনসিপির মো. আজিজুল হক (প্রাপ্ত ভোট ৪৩৩), জাতীয় পার্টির মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম (প্রাপ্ত ভোট ১৫২৪), খেলাফত মজলিসের মোহাম্মদ আব্দুল কাদির (প্রাপ্ত ভোট ২২৭৮) পেয়ে জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। এই আসনে ২ লক্ষ ৬৩ হাজার ৭৬৩ জন ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।
জেলা প্রশাসক জানান, নির্বাচনী আইন অনুযায়ী প্রাপ্ত মোট ভোটের এক-অষ্টমাংশ অর্থাৎ ৮ ভাগের ১ ভাগের কম ভোট যদি কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী পান, তাহলে তাঁর জামানত বাজেয়াপ্ত হওয়ার বিধান রয়েছে ।







