নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার খালিশা চাপানী ইউনিয়নের তালতলা সরকারপাড়া গ্রামের ১৫ বছর বয়সী ছাত্রী (ছদ্মনাম: আক্তার) শৈশবকাল থেকে তার নানার বাড়িতে অবস্থান করে পড়াশোনা করে আসছিল। ঘটনার দিন বাড়ির সদস্যদের অনুপস্থিতির সুযোগে একই এলাকার কাজল রানা (২১) ও মুন্না ইসলাম মান্নান (২৪) ভিকটিমকে জোরপূর্বক ভুট্টাক্ষেতে নিয়ে গিয়ে আটক রাখে এবং পালাক্রমে ধর্ষণ করে মুমূর্ষ অবস্থায় রেখে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে এলাকাবাসী তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে।
এ ঘটনায় গত ৬ এপ্রিল ভিকটিমের নানি বাদী হয়ে ডিমলা থানায় অভিযুক্তদ্বয়ের বিরুদ্ধে গণধর্ষণের মামলা দায়ের করেন।
ঘটনার পর থেকে ধর্ষকদ্বয় আত্মগোপনে চলে যায়। গত ২৮ এপ্রিল ডিমলা থানার পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এজাহারভুক্ত ২ নং আসামি মুন্না ইসলাম মান্নান (২৪) ঢাকার উত্তরায় র্যাব-১ এর সহায়তায় গ্রেপ্তার করে। এর ৮ দিনের মাথায় গত বুধবার (৫ মে) ওই গণধর্ষণ মামলার অন্যতম মূল আসামিকে গ্রেপ্তার করে নজির স্থাপন করেছে।
ডিমলা থানার ওসি শওকত আলী সরকারের কর্মদক্ষতা ও চৌকশতার পরিচয়ে দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন। তাঁর ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় অল্প সময়ের মধ্যে আলোচিত ডিমলা থানার ৯ম শ্রেণীর শিক্ষার্থী চাঞ্চল্যকর গণধর্ষণ মামলার মুল আসামি কাজল রানা (২১) কে লালমনির হাট জেলার হাতিবান্ধা থানা এলাকা থেকে গত মঙ্গলবার রাতে গ্রেপ্তার করে।
ডিমলা থানার অফিসার ইনচার্জ ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. শওকত আলী সরকার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, গ্রেফতারকৃত কাজল রানাকে বুধবার আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।






