তালতলী উপজেলা প্রতিনিধি(বরগুনা)
বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নিহত মো.আমির হোসেন (২৮) লাশ ১০৭ দিন পরে কবর থেকে উত্তোলন করা হয়েছে।
সমবায়ে গড়ব দেশ, বৈষম্যহীন বাংলাদেশ’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বরগুনার তালতলীতে ৫৩ তম জাতীয় সমবায় দিবস পালিত হয়েছে।
বরগুনার তালতলীতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে মাসুম বিল্লাহ্ ও দ্বীন মোহাম্মদ নামের দুই ব্যক্তিকে চার লাখ টাকা অর্থদণ্ড করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। জরিমানার পাশাপাশি বালু উত্তোলনে ব্যবহৃত তাঁর সরঞ্জাম জব্দ করা হয়। গতকাল শনিবার(১২ অক্টোবর) বিকালে উপজেলার নিদ্রা স্লুইজঘাট ও জয়ালভাঙ্গা এলাকায় অভিযান চালিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অমিত দত্ত এ জরিমানা করেন।
বরগুনার তালতলীতে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে পায়রা নদীতে মা ইলিশ ধরায় ৭ জেলেকে অর্থদ- দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। তাদের প্রত্যেককে পাঁচ হাজার করে ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। রবিবার(১৩ অক্টোবর) বিকাল ৪ টার দিকে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার(ভারপ্রাপ্ত) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অমিত দত্ত। এর আগে পায়রা নদীতে রাতভর নৌ-পুলিশ ও মৎস্য বিভাগ যৌথ অভিযান চালিয়ে ৭ জেলেকে আটক করা হয়।
সোমবার(০২ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার নিদ্রা বাজারে এ মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করা হয়। এসময় মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বাচ্চু মিয়া,ইউপি সদস্য জসিম উদ্দিন,শাকিল খান, নান্টু ও জয়নালসহ সকল ইউপি সদস্যরা।
এর আগে নবনির্বাচিত চেয়ারম্যানদের ফুল দিয়ে বরণ করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার সহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও ইউপি চেয়ারম্যানরা।বৃহস্পতিবার(০১ আগষ্ট) উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা পরিষদের পায়রা সম্মেলন কক্ষে এই প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়।
মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) সকাল ৬ টার দিকে উপজেলা শহরের বটতলা মোড়ে চেকপোস্ট বসিয়ে তাকে আটক করা হয়।আটক মো. জাহাঙ্গীর উপজেলার নিশান বাড়িয়া ইউনিয়নের বরাইতলা গ্রামের আরশেদ হাওলাদারের ছেলে।
জানা যায়, উপজেলার শারিকখালী ইউনিয়নে কচুপাত্রা খালের বাদুরগাছা-বেতমোর এলাকায় গত ৫০ বছর যাবৎ দড়িটানা খেয়া রয়েছে। শারিকখালী ইউনিয়নের ৭-৮টি গ্রাম থেকে তালতলী উপজেলা প্রায় ২৫ কিলোমিটার দূরত্ব এবং ঐ সকল গ্রাম থেকে পাশ্ববর্তী কলাপাড়া উপজেলা মাত্র ৫ কিলোমিটার। কলাপাড়া উপজেলা কাছাকাছি হওয়াতে ঐ এলাকার মানুষ কচুপাত্রা খালের বেতমোর দড়িটানা খেয়া পাড়ি দিয়ে দৈনন্দিন কাজ করতে যান কলাপাড়া শহরে। এ ছাড়াও ঐ এলাকায় কোনো স্কুল কলেজ না থাকায় খালের ওপাড়েই স্কুল-কলেজে এপারের প্রায় তিন শতাধিক ছাত্র ছাত্রী লেখাপড়া করতে যান। চলতি বছরের মে মাসের ঘূর্ণিঝড় রিমালের প্রভাবে ঐ খালে কচুরিপানায় ভরে গেলে খেয়া চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। যা অপসরন করাও যাচ্ছে না। খেয়া পারাপার বন্ধ থাকায় চরম বিপাকে পড়েছে এই এলাকার মানুষ। বর্তমানে কলাপাড়া শহড়ে যেতে হলে প্রতিদিন তাদের প্রায় ২০-২৫ কিলোমিটার পথ অটোরিক্সা বা মটরসাইকেল করে যেতে হয়। গুনতে হচ্ছে দৈনিক ১৫০ থেকে ২০০ টাকা ভাড়া। এদিকে খালের ওপাড়েই স্কুল-কলেজ থাকায় তিন শতাধিক ছাত্র-ছাত্রীদের স্কুলে যাওয়া বন্ধ রয়েছে ও প্রায় ৭-৮ গ্রামের দিনমজুর মানুষের দৈনন্দিন কাজ বন্ধ থাকায় দুর্ভোগে পড়েছে। বাধ্য হয়ে ব্রিজ চেয়ে মানববন্ধন করেছেন শিক্ষার্থীসহ এলাকাবাসী।