শালিখার সাব রেজিস্টার শহিদুল ইসলামের শততায় ১৩ লক্ষ টাকার ক্ষতির হাত থেকে বাঁচলো এক গ্রহীতা

গত বুধবার মাগুরা শালিখার  সাব রেজিস্টার মোঃ শহিদুল ইসলাম জাল দলিল সনাক্ত করে আটকে দেওয়ায় এক গ্রহীতা প্রায় ১৩ লক্ষ টাকা ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা পেলেন। সাব রেজিস্টার ইচ্ছা করলে বড় অংকের টাকায় একটা দফারফা করে দলিল করে দিতে পারতেন। কিন্তু তিনি সততার পরিচয় দিয়ে টাকার লোভ করেন নি। বরং দাতাকে দেয়া ঐ গ্রহীতার লক্ষ লক্ষ টাকাগুলো কিভাবে উদ্ধার করা যায় সাংবাদিকদের সেটার ও পরামর্শ দেন। তাৎক্ষণিক ভাবে  সাংবাদিক তারিকুল ইসলাম, সাংবাদিক সুমন, বিএনপি নেতা নজরুল ইসলাম, মাহামুদুননবী মাহমুদ পদক্ষেপ নিয়ে টাকাগুলো উদ্ধার করে দেয়।জানা যায়, শড়াবাড়িয়া গ্রামের প্রতারক জামাল উদ্দিন মশাখালী মৌজার 12 শতক জমি প্রায় 13 লক্ষ টাকায় বিক্রি করেন কোডবাগ  গ্রামের প্রবাসী শিশিরের কাছে। দলিল রেজিস্ট্রি করার সময়  সাব রেজিস্টার প্রয়োজনীয় সমস্ত কাগজ নেয়ার পর পূর্বের ১৮৯৪ দলিলটি জাল সনাক্ত করে দলিল সহ অন্যান্য কাগজপত্র আটকিয়ে দেয়। সাথে সাথে তিনি মাগুরা রেকর্ডরুমে খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন ১৯৮৮ সালের ১৮৯৪ দলিলটির গ্রহীতা জামাল উদ্দিন না।  মূলত দলিলটি বিনিময় ।যাহার দাতা ও গ্রহীতা অন্য লোক। সাব রেজিস্টার বলেন, দলিল করার সময় জামাল উদ্দিন মূখে মাক্স পরে ছিল । খুলতে বললে একবার খুলে কিছুক্ষণ পর আবার মুখে  দেয়। এতে আমার প্রথমে সন্দেহ হয়। পরে দলিলটি জাল সনাক্ত করে কাগজপত্র আটকে দি।জাল দলিলটি ফেরত দেয়া হবে না। পুড়িয়ে বা নষ্ট করে দেয়া হবে। সাব রেজিস্টারের এই সততায় জমির ক্রেতা ও বিক্রেতাদের আড়পাড়া রেজিস্ট্রি অফিসের প্রতি আস্থা ফিরে এসেছে।

মন্তব্য করুন