প্রথম অনুসন্ধানী পর্ব,,,,
ভূমি অধিগ্রহণ (এল/এ) শাখার সার্ভেয়ার,জাতীয় বেতন স্কেলের ১৩ তম গ্রেট এর কর্মচারী বেতন সব মিলিয়ে ৩০/৩৫ হাজার টাকা এই বেতনের একজন ব্যক্তি যদি ২০ বছর চাকরি করার পরে বেতন বোনাস মিলিয়ে আয় ৭০/৮০ লাখ টাকা ও হবে না পারিবারিক হিসাবটা বাদই দিলাম অথচ ১৩তম গ্রেডের সরকারি এ কর্মচারীর সম্পদের পরিমাণ শুনলে যে কারও মাথা ঘুরে যাবে।বরিশাল শহরে রয়েছে কোটি টাকা মূল্যের আলিশান বাড়ি, নিজ জেলা পটুয়াখালীতে রয়েছে ১টি ফ্ল্যাট,পটুয়াখালীতে রয়েছে কোটি টাকার অধিক জমি,আত্মীয়-স্বজনের নামে কোটি টাকার সম্পদ।
সর্বসাকুল্যে মাসিক বেতন ৩০/৩৫ হাজার টাকা হলে কীভাবে এ সময়ে কোটি কোটি টাকার সম্পদ গড়ে তোলা সম্ভব? হয়তো আলাদিনের আশ্চর্য প্রদীপের ছোঁয়ায় তিনি এত সম্পদের মালিক বনে গেছেন!
বলছি পটুয়াখালী জেলা প্রশাসকের (ডিসি) কার্যালয়ের ভূমি অধিগ্রহণ শাখার সাবেক সার্ভেয়ার মোঃ দেলোয়ার হোসেনের কথা সম্প্রতি তিনি পদোন্নতি পেয়ে কানুনগো হয়েছেন বর্তমানে তিনি রাজাপুর উপজেলা ভূমি অফিসে কানুনগো পদে কর্মরত আছেন এর আগে তিনি ঝালকাঠি জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে ভূমি অধিগ্রহণ শাখায় সার্ভেয়ার পদে কর্মরত ছিলেন সম্প্রতি ছয় মাস পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের ভূমি অধিগ্রহণ শাখার সার্ভেয়ার পদে কর্মরত ছিলেন, তার বিরুদ্ধে ভূমি অধিগ্রহণ কার্যক্রমে দূর্নীতি, ঘুষ/কমিশন বানিজ্য, অনিয়ম এবং হয়রানির মাধ্যমে বিগত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের আমলে তিনি এই দুর্নীতি ও ঘুষ/কমিশন বাণিজ্য এবং অন্যান্য অনিয়মের মাধ্যমে সাধারণ জনগণের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাৎ করেছে বলে অভিযোগের তথ্য পাওয়া গেছে।
নাম প্রকাশে অনেচ্ছুক একজন ভুক্তভোগী বলেন বিগত ছয় মাস তিনি পটুয়াখালী জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে কর্মরত থাকাকালীন সময়ে পটুয়াখালীর ইপিজেড প্রকল্পের ভূমি অধিগ্রহণে ক্ষতিগ্রস্ত জমির মালিকরা ক্ষতিপূরণের টাকা পেতে হয়রানির শিকার হয়েছেন।কানুনগো শহিদুল ইসলাম সার্ভেয়ার কমল দেবনাথ সহ একটি বিরাট দালাল চক্র রয়েছে যারা সঙ্ঘবদ্ধ ভাবে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।
অভিযোগের ধরন:ক্ষতিগ্রস্ত জমির মালিকদের ক্ষতিপূরণের টাকা পেতে ফাইল আটকে রাখা এবং ঘুষের জন্য হয়রানি করার অভিযোগ রয়েছে।
দায়িত্ব: তিনি ঝালকাঠি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সার্ভেয়ার হিসেবে ভূমি অধিগ্রহণ শাখায় দায়িত্বরত ছিলেন।
অনিয়মের চিত্র: ভূমি অধিগ্রহণের ক্ষতিপূরণের টাকা ছাড় পেতে সাধারণ মানুষকে ঘুষ দিতে বাধ্য করা এবং দিনের পর দিন ফাইল আটকে রেখে ভোগান্তি সৃষ্টি করা হয়।
তার এই দুর্নীতি, ঘুষ/কমিশন বাণিজ্য এবং অনিয়মের বিরুদ্ধে বিভাগীয় কমিশনার, দুর্নীতি দমন কমিশন ও জেলা প্রশাসক বরাবর অভিযোগ দায়ের করার প্রস্তুতি চলছে।
দ্বিতীয় পর্ব দেখার জন্য চোখ রাখুন পত্রিকার পাতায়,,৷





