আসন্ন সংসদ ও গণভোটকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত ঝিনাইদহ-৩ (কোটচাঁদপুর-মহেশপুর) আসন! নির্বাচনের চূড়ান্ত ক্ষণগণনা শুরু হতেই প্রশাসন ও সাধারণ মানুষের মধ্যে টানটান উত্তেজনা বিরাজ করছে। দুই উপজেলার ১৬৬টি কেন্দ্রের মধ্যে ৪৫টি কেন্দ্রকে ইতোমধ্যে ‘অধিক ঝুঁকিপূর্ণ’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, যা নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে চলছে নানা জল্পনা-কল্পনা।
ভোটের মাঠ নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনা রুখতে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করেছে প্রশাসন। কোটচাঁদপুর থানার ওসি আসাদউজ্জামান জানান, ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সিসি ক্যামেরা থেকে শুরু করে প্রতিটি বুথে থাকছে কঠোর নজরদারি।শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় এবং ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মোতায়েন করা হচ্ছে:
সেনাবাহিনী ও বিজিবি (স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে)।
র্যাব ও পুলিশ (মোবাইল টিম)।আনসার সদস্য (প্রতিটি কেন্দ্রে স্থায়ী)।এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট (ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার জন্য)।
মহেশপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার খাদিজা আক্তার এবং কোটচাঁদপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. এনামুল হাসান জানিয়েছেন, বুধবার সকাল থেকেই প্রতিটি কেন্দ্রে ব্যালট বক্স ও নির্বাচনী সরঞ্জাম পাঠানোর কাজ শুরু হয়েছে। তারা দুজনেই নিশ্চিত করেছেন যে, এখন পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক রয়েছে এবং ভোটাররা নির্ভয়ে কেন্দ্রে আসতে পারবেন।
সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা বলেন,ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোকে আমরা অধিক গুরুত্ব দিচ্ছি। সেনাবাহিনী ও র্যাবের টহল বাড়ানো হয়েছে। কোনো ধরণের বিশৃঙ্খলা সহ্য করা হবে না।







