ঈদের দিন যশোর পৌর এলাকায় বিকেল ৪টার মধ্যে কোরবানির বর্জ্য অপসারণ ও শহর পরিচ্ছন্ন করার নির্দেশ দিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।
আসন্ন পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে যশোর পৌর এলাকায় কোরবানির পশুর বর্জ্য ও ময়লা-আবর্জনা দ্রুত ও পরিকল্পিতভাবে অপসারণের লক্ষ্যে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় তিনি এই নির্দেশ দেন। বুধবার দুপুরে পৌরসভা মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এই সভায় ঈদুল আযহার দিন এবং পরবর্তী সময়ে শহরকে পরিচ্ছন্ন ও দূষণমুক্ত রাখতে নানামুখী উদ্যোগ ও পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়।
সভায় প্রধান অতিথি বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, ‘ঈদুল আযহার আনন্দ উদযাপনের পাশাপাশি শহরকে পরিচ্ছন্ন রাখা আমাদের সবার নাগরিক দায়িত্ব। দ্রুততম সময়ের মধ্যে বর্জ্য অপসারণ করে নাগরিকদের একটি পরিচ্ছন্ন পরিবেশ উপহার দিতে হবে।’
বর্জ্য অপসারণে নির্দেশনা দিয়ে প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ঈদের দিন দুপুর ১টা থেকে বিকেল ৪টার মধ্যে পুরো যশোর শহরের সমস্ত কুরবানীর বর্জ্য অপসারণ করতে হবে। বিকেল ৪টার পর শহরের কোথাও কোনো ময়লা-আবর্জনা থাকতে পারবে না।
এ সময় পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের উৎসাহিত করতে মন্ত্রী একটি বিশেষ ঘোষণা দেন। ঈদের দিন এই বর্জ্য অপসারণের কাজে নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য তিনি ব্যক্তিগতভাবে এক লাখ টাকা পুরস্কার প্রদানের ঘোষণা দেন। একই সাথে এই পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের বার্তাটি ইমাম পরিষদের মাধ্যমে ঈদের দিন প্রতিটি ঈদগাহ ও মসজিদের খুতবায় যেন প্রচার করা হয়, সেই বিষয়েও তিনি নির্দেশনা দেন।
যশোর পৌরসভার প্রশাসক রফিকুল হাসানের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা পরিষদের প্রশাসক দেলোয়ার হোসেন খোকন। বক্তারা বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম সফল করতে পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পাশাপাশি সাধারণ পৌরবাসীকেও নির্দিষ্ট স্থানে বর্জ্য ফেলার আহ্বান জানান।
সভায় অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ মুরাদ আলী, পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা জায়েদ হোসেন, প্রশাসনিক কর্মকর্তা উত্তম কুমার কুন্ডু, সহকারী প্রকৌশলী বিএম কামাল আহমেদ, উপ-সহকারী প্রকৌশলী সাইফুল ইসলাম তুহিন, হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা রবীন্দ্রনাথ রাহা, মোহাম্মদ হান্নান, নগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মনিরুজ্জামান মাসুম, পৌর কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি মাসুদুল বারী কাক্কু ও সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম। এছাড়াও সভায় পৌরসভার নয়টি ওয়ার্ডের ইন্সপেক্টর এবং ময়লা অপসারণ বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত ১৩ জন কর্মচারী উপস্থিত ছিলেন।#
.






