চট্টগ্রামে প্রতারক উর্মি আক্তারের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক অনুসন্ধানের তৃতীয় পর্ব (প্রকাশ)

অভিযোগ সূত্রে জানা যায় মিথ্যা প্রেমের ফাঁদে ফেলে প্রতারণা করে গার্মেন্ট কর্মী উর্মি আক্তারের বিরুদ্ধে গুরুতর  অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় বিশ্বস্ত  সূত্রে জানায়  অভিযুক্ত উর্মি আক্তার রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে মধ্যযুগীয় কায়দায়  মধ্যবিত্ত পরিবারের যুবকদের কে টার্গেট করে মিথ্যা প্রেমের ফাঁদে ফেলে ও মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে মিথ্যা বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে   বিশ্বাসঘাতকতার মাধ্যমে  বিকাশে  চাঁদাবাজির অগনিত প্রমাণ পাওয়া যায়। এদিকে অভিযুক্ত উর্মি আক্তারের বড় ভাই টিপু কে প্রশ্ন করা তিনি বলেন আমার ছোট বোন প্রতিদিন সকাল সাতটা বাজে গার্মেন্টসে জাওয়ার নাম করে ঘর থেকে বের হয় এরপর কোথায় জায় কি করে তিনি আর কিছু জানেন না তিনি।
এদিকে অভিযুক্ত উর্মি আক্তারের কর্মস্থলে অনুপস্থিতির প্রমাণ পাওয়া গেছে কেইপিজেড গার্মেন্টসের ইয়াং উয়ান ১৪ নং পলোরের ম্যানেজার বলেন অভিযুক্ত উর্মি আক্তার বিগত ২০ জুলাই ১ দিন এবং ৮ আগষ্ট থেকে ১১ আগষ্ট পর্যন্ত ৩ দিন তিনি কর্মস্থলে যোগ দেননি কিন্তু বাসা থেকে টিকৈই  বের হয়েছিলেন কর্মস্থলে যাওয়ার কথা বলে জানিয়েছেন অভিযুক্ত উর্মি আক্তারের বড় ভাই টিপু মেজ ভাই সাজ্জাদ হোসেন এবং তার বাবা (মা)
এদিকে গত ২০ জুলাই ২০২৬ ইং তারিখে  উর্মি আক্তারের প্রেমিক মঈনুল ইসলাম এর সাথে  দেখা যায় পটিয়াতে এ ছাড়াও উর্মি আক্তার পটিয়া থেকে পেরার সময় চাতুরী চৌমুহনী  আরেক প্রেমিক আরফাত এর সাথে দেখা করেন উনি আক্তার থাকে।
এ দিকে বিতর্কিত উর্মি আক্তার গার্মেন্টসে অনুপস্থিত সময় গুলোথে বিভিন্ন পার্কে জঙ্গলে এবং আবাসিক হোটেলে ঘোরাফেরা করতে  দেখা যায় অনৈতিক কর্মকান্ডের সাথে জড়িত থাকতেও দেখা যায় (থাকে)
এ দিকে অভিযুক্ত উর্মি আক্তারের টিকটক আইডি নাম Arohi
Alina.hasan.40
এবং ফেসবুক আইডি নাম
Alaina.hasan.275079.এবং arohi islam নামের আইডি ব্যবহার করে প্রতারণা করে যাচ্ছে অভিযুক্ত উর্মি আক্তার
এ ছাড়াও তার ইমু আইডি নাম Arohi.
অনলাইন প্রতারণার অত্যান্ত দক্ষ কারিগর তিনি এবং অভিজ্ঞ নারী প্রতারক উর্মি আক্তার ফেসবুক ইমু হোয়াটসঅ্যাপ মেসেঞ্জার টুইটার  ব্যবহার করে বিভিন্ন বিকাশ নাম্বারে টাকা হাতিয়ে নেয়ার অগনিত প্রমাণ পাওয়া যায়  প্রতারণা, করে যাচ্ছেন অভিযুক্ত, কিশোরী উর্মি আক্তার এতে হতভঙ্গ  হয়ে পড়েন তার সহপাঠী এবং সহকর্মীরা স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীদের উদ্যোগ প্রকাশ।
 অভিযুক্ত উর্মি আক্তারের হুমকির ভয়ে  নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক যুবক জানান মিথ্যা প্রেমের ফাঁদে ফেলে মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে বিয়ে করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে  প্রতারণা ও বিশ্বাসঘাতকতার মাধ্যমে বিকাশ নাম্বারে টাকা নেয়ার অগনিত প্রমাণ পাওয়া যায়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক যুবক বলেন গত ১৪/০৫/২০২৬ ইং তারিখে সন্ধ্যা ৭ টা ৪৬ মিনিটে বিকাশ নাম্বার ০১৮৮৪৮১০০৫৭ নাম্বারে ১০২০ টাকা হাতিয়ে (নেন) অভিযুক্ত উর্মি আক্তার
 এরপর গত
১৬ /০৫/২০২৬ ইং তারিখ বেলা ১ টা ১০ মিনিটে পার্সোনাল বিকাশ নাম্বার 01840061218 নাম্বারে ১০০০ টাকা (নেন) প্রতারক ও বিশ্বাসঘাতক উর্মি আক্তার। এরপর গত ২৪/০৬/২০২৬ ইং তারিখে ৭ টা ২২ মিনিটে বিকাশ এজেন্ট  01889854781 নাম্বারে ১০০০ টাকা একৈ নাম্বারে গত ০২/০৭/২০২৬ ইং তারিখে ১০০০টাকা হাতিয়ে নেন প্রতারক অভিযুক্ত উর্মি আক্তার এরপর একৈই যুবক থেকে আবারো গত ০৪/০৭/২০২৬ ইং তারিখে সকাল ১১টা৫২ মিনিটে বিকাশ এজেন্ট 01852019348 নাম্বারে ২০০০ টাকা নিয়ে লাপাত্তা প্রতারক বিশ্বাসঘাতক চাঁদাবাজ উর্মি আক্তার।
এদিকে ভুক্তভোগীরা বলেন (১) সোলায়মান (২) শাখাওয়াত হোসেন (৩) সাজ্জাদ হোসেন বাবলু (৪) ইয়াছিন (৫) খাইরুল (৬) জিশান (৭) কাইয়ুম (৮) আরফাত (৯) মোঃ সিদ্দিক (১০) মামুন (১১) নাছির উদ্দিন (১২) নাঈম উদ্দিন (১৩) মিনহাজ উদ্দিন (১৪) মোঃ নয়ন (১৫) আরিফুল ইসলাম(১৬) রাকিব (১৭) ফারুক (১৮) মিজান (১৯) সাজান(২০) আজিজ(২১) নুর আলম (২২) রকিব(২৩) আরফাত(২৪) মোঃ ইস্তেহার ইসলাম(২৫) লুকমান হাকিম (২৬) মোঃ মিজান(২৭) আর জে রাসেল ভয়েস কিং(২৮) মোঃ ফারুক (৩৯) মোঃ সাহাদাত হোসেন (৩০)  মোঃ মহিউদ্দিন, (৩১) মোঃ হানিফ,
এছাড়াও নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অগনিত যুবকের সাথে তার মিথ্যা প্রেমের প্রতারণার শিকার হয়েছেন।
উক্ত ঘটনার বিষয়ে অভিযুক্ত উর্মি আক্তারের বিরুদ্ধে একাধিক গনমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ করায় ক্ষিপ্ত হয়ে মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে হয়রানি করার হুমকি দেয় বিগত ৭ আগষ্ট ২০২৬ ইং তারিখে অভিযুক্ত উর্মি আক্তারের মোবাইল ফোন থেকে কল করে আনোয়ারা থানার এসআই জুয়েল নামের এক ব্যক্তি সাংবাদিক মোঃ আবু বক্কর সিদ্দিক কে বলেছে অভিযুক্ত প্রতারক বিশ্বাসঘাতক চাঁদাবাজ উর্মি আক্তারের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ না করার জন্য প্রস্তাব দেন। কিন্তু অনুসন্ধান করে দেখা যায় অজ্ঞাত ব্যক্তি আনোয়ারা থানার এসআই জুয়েল নয় অজ্ঞাত  ব্যক্তি কে দিয়ে পুলিশ পরিচয়ে মিথ্যা মামলার হুমকি এবং প্র্যাণাশের হুমকি দেয় অভিযুক্ত উর্মি আক্তার ও তার বড় ভাই টিপু।
এ বিষয়ে জানতে আনোয়ারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি জুনায়েদ বলেন অভিযুক্ত প্রতারক বিশ্বাসঘাতক চাঁদাবাজ উর্মি আক্তার থানায় আসার বিষয়টি সত্য নয় এবং এসআই জুয়েল সাহেব সাথে তরুণীর শরণাপন্ন হওয়ার বিষয়টি তিনি জানেন না বলে অঙ্গীকার করেন (তিনি)
এদিকে অভিযুক্ত উর্মি আক্তার কে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন তার ব্যক্তিগত ইসু নিয়ে কোন মন্তব্য করতে রাজি হননি (তিনি)
এর আগে প্রকাশিত সংবাদের সূত্র ধরে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা এবং স্থানীয় নেতৃবৃন্দরা বিগত ১৫ জুন ২০২৬ ইং তারিখে অভিযুক্ত বিতর্কিত উর্মি আক্তারের সঙ্গে পানীয় সালিশী বৈঠক হয় এ সময় উপস্থিত ছিলেন (১) মোঃ রহিম ইউপি সদস্য ৮ নং ওয়ার্ড পূর্ব বৈরাগ ইউপি (২) বাদশা মিয়া কম্পেনার মহসিন কলেজ চট্টগ্রাম এবং ছাত্রদল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি (৩) অভিযুক্ত উর্মি আক্তারের বড় ভাই টিপু মেজ ভাই সাজ্জাদ হোসেন এবং অভিযুক্ত উর্মি আক্তার নিজে এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন এ সময় অভিযুক্ত উর্মি আক্তার নিজের ভুল স্বীকার করেন এবং সকলের কাছে তিনি ক্ষমা প্রার্থনা করেন উপস্থিত জনসম্মুখে তিনি অঙ্গীকার করেন আর কোন যুবকের সাথে মিথ্যা প্রেমের নাটক করবেন না আর কারো সাথে অবৈধ সম্পর্কে জড়িত থাকবেন না বলে তিনি অঙ্গীকার করেন।
কিন্তু কালের পরিক্রমায় সময়ের পরিবর্তনে আরো বেপরোয়া হয়ে ওঠে অভিযুক্ত উর্মি আক্তার প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছেন অভিযুক্ত উর্মি (আক্তার)
উক্ত বিষয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং স্থানীয় সমাজপতিরা  উদ্যোগ ও খোভ প্রকাশ করেন এবং তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান সকল শ্রেণী পেশার মানুষ।

মন্তব্য করুন

এ সম্পর্কিত আরো পড়ুন