প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পূর্বপরিকল্পিতভাবে একদল দুর্বৃত্ত জামিলের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলায় তিনি মাথা, হাত ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত হন। রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করতে এগিয়ে আসেন সহপাঠী ও স্থানীয়রা। পরে হাসপাতালে নেওয়ার পর তার হাতে ব্যান্ডেজ ও মাথায় চিকিৎসা দেওয়া হয়।
ঘটনার পর থেকেই খানাবাদ ডিগ্রি কলেজসহ আশপাশ এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা এই হামলাকে “গণতান্ত্রিক রাজনীতিকে দমন করার অপচেষ্টা” হিসেবে উল্লেখ করে তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন।
স্থানীয় ছাত্রদল নেতারা বলেন,
“জামিল দীর্ঘদিন ধরে ছাত্রদের অধিকার আদায়ে কাজ করে আসছেন। তার জনপ্রিয়তা ও সাংগঠনিক কার্যক্রমে ঈর্ষান্বিত হয়ে একটি মহল পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালিয়েছে। আমরা অবিলম্বে হামলাকারীদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।”
আহত জামিলের সহপাঠীরা জানান, তিনি একজন শান্ত স্বভাবের ও সাংগঠনিকভাবে সক্রিয় ছাত্রনেতা। তার ওপর এমন ন্যক্কারজনক হামলায় তারা মর্মাহত। অনেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে দোষীদের বিচারের দাবি তুলেছেন।
এদিকে স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে কেন্দ্র করে সহিংসতা ও রাজনৈতিক সংঘাত দিন দিন উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে। শিক্ষার পরিবেশ রক্ষা ও ছাত্রদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের আরও কঠোর ভূমিকা প্রয়োজন।
হাসপাতালে জামিলকে দেখতে আসা নেতাকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা তার দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন। একইসঙ্গে তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, হামলাকারীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা না হলে বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হতে পারে।
এ ঘটনায় এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসনের নজরদারি জোরদার করা হয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ছাত্ররাজনীতিতে সহিংসতার এই সংস্কৃতি বন্ধ না হলে শিক্ষাঙ্গনের স্বাভাবিক পরিবেশ আরও নষ্ট হবে। তাই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও নিরপেক্ষ বিচার এখন সময়ের দাবি।