হকারদের ভাঙচুর, লুট আর হুমকি সাভার পৌর কর্মকর্তাকে শোকজ

সাভারে সরকারি জমি দখলের ঘটনায় নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। সাভার বাসস্ট্যান্ড এলাকার মডেল মসজিদের পাশে ২ একরের বেশি সরকারি জমি দখল, ভাঙচুর, লুট, সরকারি সম্পত্তির ক্ষতিসাধন এবং কর্মকর্তাদের হুমকি দেওয়ার অভিযোগে ১৫০ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। মামলায় ১৪০ থেকে ১৫০ জন অজ্ঞাত হকারকে আসামি করা হয়েছে বলে Daily-Fulki-এর প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। একই ঘটনায় পৌরসভার কনজারভেন্সি ইন্সপেক্টরকে শোকজও করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, সোমবার দুপুরে ছোট বলিমেহের মৌজায় সরকারের নামে রেকর্ডভুক্ত ২ একর ১৭ শতাংশ জমির টিনের সীমানা প্রাচীর ভেঙে ফেলা হয় এবং কিছু টিন লুট করে নেওয়া হয়। জমিটিতে ভবিষ্যতে মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ও প্রস্তাবিত উপজেলা ভূমি অফিস নির্মাণের পরিকল্পনার কথাও সেখানে উল্লেখ আছে।
আমরা সকলেই দেখতেছি যে সাভার পাকিজার সামনের ইউটার, ব্যাংক কলোনি এলাকায় জলাবদ্ধতা অনেক। পাশাপাশি আমাদের সাভার এলাকায় আশেপাশে তেমন পার্ক নেই। বিশেষ করে ব্যাংক কলোনি বাসিন্দা এবং আশপাশের এলাকার মানুষদের জন্য হাঁটার কোনো জায়গা নেই। এর মধ্যেও বাইরে বের হলে অটোরিকশার জ্বালায় রাস্তায় ঠিকমতো হাঁটাচলা করা যায় না। তাই মসজিদের পাশে থাকা পুকুরটি খনন করে দখলমুক্ত করা হোক, আর সেটাকে একটি পার্ক হিসেবে গড়ে তোলা হোক।
এই ঘটনা শুধু সরকারি জমি দখলের মামলা নয়, বরং সাভারের নগর ব্যবস্থাপনা, জনসেবামূলক জায়গা রক্ষা এবং সাধারণ মানুষের হাঁটার পরিবেশ কতটা সংকুচিত হয়ে গেছে, সেটাও সামনে এনেছে। একদিকে সরকারি জমি নিয়ে সংঘাত, অন্যদিকে পাকিজা-ব্যাংক কলোনির মতো এলাকায় জলাবদ্ধতা, হাঁটার জায়গার অভাব এবং পার্কের সংকট, দুটোই স্থানীয় জীবনের বড় সমস্যা।
সাভারের মতো দ্রুত বেড়ে ওঠা এলাকায় খোলা জায়গা, হাঁটার পথ ও পার্ক না থাকলে মানুষের জীবনমানের ওপর সরাসরি চাপ পড়ে। তাই শুধু দখলমুক্ত অভিযান নয়, দখল ঠেকিয়ে জনস্বার্থে ব্যবহারের পরিকল্পনাও জরুরি।

মন্তব্য করুন

এ সম্পর্কিত আরো পড়ুন