নোয়াখালীর চৌমুহনী পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ২৩৯ নম্বর মৌজায় ডেল্টা মিলস কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে পুনর্বাসন না দিয়ে প্রায় তিন শতাধিক পরিবারকে উচ্ছেদের অভিযোগ এবং নানাভাবে হয়রানি আভিয়োগ উঠেছে। ভুক্তভোগীদের দাবি,করেন তাদেরকে দিন রাত বিভিন্নভাবে হয়রানি করে আসতেচে ডেলটা কোম্পানি। জোর পূর্ব ভাবে তাদেরকে উচ্ছেদের চেষ্টা করতেছে দীর্ঘদিন ধরে জীবনযাপনে বাধ্য করা হয়তেছে
জানা যায়, ডেল্টা মিলসের জন্য মোট ৪৯.৮৩ একর জমি ১৯৬২-৬৩ সালে মালিক আবদুর রবের নামে বন্দোবস্ত দেওয়া হয়। তবে অবশিষ্ট প্রায় ১০.১৭ একর জমি অসহায় ও ভূমিহীন মানুষের বসবাসের জন্য রাখা হয় গরীব অসহায় ৩০০ পরিবারের মানুস গন বাপ দাদা আমল ধরে এসব জমিতে বসবাস করে আসতেছে পরিবারগুলোকে পুনর্বাসনের আশ্বাস দিয়ে করিমপুর এলাকায় পুনর্বাসন প্রক্রিয়া শুরু করা হলেও তা আজও বাস্তবায়ন করা হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।
ভুক্তভোগীরা জানান, প্রতিদিন দালালরা তাদের মা বোনদের ভয় এবং মেরে পেলার হমকি উচ্ছেদের ভয় দেখিয়ে আসতেছে ডেলটার দালাল সন্ত্রাস বাহিনী। পুনর্বাসনের প্রতিশ্রুতি ডিসি, এডিসি এবং উপজেলা উপস্থিতিতে ডেলটার সাথে চুক্তি হয় এখনো কেউ কোনো আর্থিক সহায়তা বা স্থায়ী পুনর্বাসন পায়নি। বরং উল্টো তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্নভাবে হয়রানি, ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদান করতেছে রীতিমত,
এলাকাবাসীর দাবি, মায়ানমার রোহিঙ্গা এসে বাংলাদেশ সুন্দর মতন বসবাস করতেছে আর তাদের নিজ সম্পত্তি বাপ দাদার তারা কেন হয়রানীর শিকার তারা দালালের কাছে জিম্মি হয়ে আছে।বাকী চারটা মৌজা সুন্দর মতন বসবাস করতেছে শুদু গনিপুর ডেলটা মৌজা হমকি দিতেছে দালালরা হয়রানি করতেছে দালালরা তারা আরও অভিযোগ করেন, সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কিছু কর্মকর্তা—এসিল্যান্ড, বেগমগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (এডিসি)—এই অনিয়মের সঙ্গে জড়িত থাকতে পারেন।কারন টাকা খেয়ে তারা অনিয়ম করছে
বর্তমানে বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। চলমান মামলাগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য—মামলা নম্বর ১৭৭/২০২৫, ৩৫৪১/২০২৫ এবং ৭৫২/২০২৬। এছাড়া সংশ্লিষ্ট জমির সিএস খতিয়ান ১৩৩, ১৬১, ১৯৫ ও ২৯ নম্বর খতিয়ানে মোট বিভিন্ন অংশে জমির পরিমাণ উল্লেখ রয়েছে।
এদিকে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ডেল্টা মিলস প্রায় এক দশক ধরে বন্ধ রয়েছে। বর্তমানে মিলের অবকাঠামো গুদাম হিসেবে ভাড়া দেওয়া হচ্ছে এবং অভিযোগ রয়েছে যে, কিছু দালাল ব্যক্তি মিলের যন্ত্রপাতি বিক্রি করে আত্মসাৎ করছে।
ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর দাবি, দ্রুত ন্যায়বিচার নিশ্চিত করে তাদের পুনর্বাসন, ক্ষতিপূরণ প্রদান এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।না হয় তারা এসব হয়রানির বিরুদ্ধে কঠিন আন্দোলনের ডাক দিতে পারে
ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষে প্রধান সমন্বয়ক ১/মো: ইসমাইল,
এবং মোঃ দুলাল, তাজু,দুলাল,হাসান সহ পৈত্রিক সম্পদের ওয়ারিশগন ছিল
এ বিষয়ে ডেল্টা মিলস কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।







