চুয়াডাঙ্গা থেকে কুষ্টিয়া অভিমুখি ইজিবাইক,সিএনজি,মাহিন্দ্র, ইন্জিন চালিত লাটাহাম্বা, সহ প্রতিটি গাড়ী থেকে টোলের নামে চাঁদা আদায় করছে। স্থানীয় প্রভাবশালী রাজনৈতিক একটি মহল।
দি বাংলা ইন্ডিপেন্ডেন্ট টোল তোলা কর্মীর কাছে জানতে চায়লে তিনি কিছু
বলতে রাজি হয়নি। পরে তার হাতে থাকা টোকেন থেকে জানতে পারি যে আলমডাঙ্গা পৌরসভার প্রবেশের জন্য ইজারা নিয়েছে সাজ্জাদ হোসেন সজিব।
আওয়ামিলীগ সরকারের সময় এই কর্যক্রম শুরু হলেও ৫ আগষ্টের পর অন্তবর্তীকালীন সরকারের সময় তা বন্ধ হয়ে যায়। এখন বিএনপি সরকার গঠন করার পর সেটি আবারও চালু হয়েছে।
কুষ্টিয়ার একটি ভুক্তভুগি ইজিবাইক চালকের কাছে জানাতে চায়লে তিনি বলেন, আমরা কুষ্টিয়া থেকে আলমডাঙ্গায় দীর্ঘদিন কাচামাল, নিয়ে আসছি। কিন্তুু পশুহাট সহ পৌরসভার প্রবেশের জন্য সকল রোডে আমাদের কাছে ২০টাকা করে টোল আদায় করছে এবং টাকা দিতে বাদ্ধ করছে। বেশকিছু দিন কোন চাঁদা দিতে হয়নি আবাও শুরু করেছে।
কিছু স্থানীয় মানুষ বলেন, আলমডাঙ্গা আনেক বড় উপজেলা শহর এখানে খুলনা বিভাগের বড় পশুর হাট, মোটরসাইকেল হাট, এবং কুষ্টিয়া শহরে চিকিৎসা ব্যবসা বাণিজ্য ও মানুষের চলাচলের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম । আর দূবলতাকে কাজে লাগিয়ে একটি দল টোল আদায় নামে চাঁদা আদায় করছে। এতে খেটে খাওয়া শ্রমিকদের কাছে থেকে জুলুম করা হচ্ছে।






