আশুলিয়ার তিন স্পটে ডিবির অভিযানে গাঁজা ইয়াবাসহ ৩ জন পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী আটক

ঢাকা জেলা ডিবি উত্তর একই রাতে জামগড়া, পলাশবাড়ী, কাঠগড়া, তিন স্পটে  অভিযান চালিয়ে মোট ৩ জন পেশাদার মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে। অভিযানে উদ্ধার হয়েছে ১ কেজি ৭০০ গ্রাম গাঁজা এবং ১১০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট।সাভার, আশুলিয়া করিডরে মাদকের জাল যে কতটা ছড়িয়ে গেছে, এই অভিযান সেটা আবার মনে করিয়ে দিল।
আশুলিয়া থানাধীন জামগড়া এলাকা থেকে মো. আজিজুল হক (২২) কে ১ কেজি ৭০০ গ্রাম গাঁজাসহ গ্রেফতার করা হয়। পরে পলাশবাড়ী এলাকা থেকে মো. কামরুল হাসান নাহিদ (২৭) কে ৫০ পিস ইয়াবাসহ আটক করা হয়। একই দিনে কাঠগড়া এলাকা থেকে মো. নুর আলম হোসেন স্বাধীন ওরফে বিদ্যুৎ (৩৮) কে ৬০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার করা হয়। ধৃতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রুজু করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
সাভার, পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডে  আশুলিয়া, জামগড়া, পলাশবাড়ী, কাঠগড়া,  হেমায়েতপুর ফুলবাড়িয়া, আমিনবাজার এসব এলাকা এখন মাদকচক্রের জন্য শুধু গন্তব্য না, বরং নেটওয়ার্কের অংশ হয়ে উঠছে। একদিনে তিনজন ধরা পড়া মানে এই না যে কাজ শেষ, বরং এটা ইঙ্গিত দেয়, মাদক ব্যবসা এখানে ছড়িয়ে আছে ভাড়া বাসা, গলি, আর লোকাল আড়ালের ভেতরে।
এই এলাকায় গাঁজা আর ইয়াবা দুই ধরনের মাদকই একইসঙ্গে ধরা পড়েছে, যা দেখায় বাজারটা বিচ্ছিন্ন না, বরং বহুমাত্রিক। একজন বাহক ধরা পড়লেই চক্র থামে না, কারণ পেছনে থাকে বিক্রেতা, সরবরাহকারী, লুকানোর জায়গা, আর ক্রেতার নীরবতা।
 মাদক কোথা থেকে আসছে, কারা তা কিনছে, আর কোন কোন ভাড়া ঘর বা আড়াল ব্যবহার করে চক্রগুলো সক্রিয় থাকছে? সাভার, আশুলিয়ার মতো ঘনবসতিপূর্ণ ও শ্রমঘন এলাকায় মাদক মোকাবিলা মানে শুধু উদ্ধার নয়, পুরো সরবরাহ চেইন ভাঙা। নইলে আজ গ্রেফতার, কাল নতুন মুখে পুনরায় বাজারে ফেরা, এই চক্র চলতেই থাকবে।

মন্তব্য করুন

এ সম্পর্কিত আরো পড়ুন