শিবগঞ্জ উপজেলার মুসলিমপুর মাঠে ফসলি জমিতে পুকুর খননকে কেন্দ্র করে এলাকায় তীব্র আলোচনা-সমালোচনা চলছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, জিহাদ নামে এক ব্যক্তি প্রকাশ্যে আবাদি জমিতে পুকুর খনন কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে প্রশাসনের দৃশ্যমান কোনো কঠোর পদক্ষেপ না থাকায় জনমনে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
এলাকাবাসীর প্রশ্ন— “জিহাদের খুঁটির জোর কোথায়?”
কারণ দীর্ঘদিন ধরে খননযন্ত্র দিয়ে মাটি কাটা ও পরিবহন চললেও তা বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা চোখে পড়ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে।
এরই মধ্যে নতুন করে দেখা দিয়েছে জনদুর্ভোগ। পুকুর খননের মাটি বহনকারী ট্রাক্টরের অবাধ চলাচলে মুসলিমপুর সড়কের দুই পাশের বাড়িঘর ধুলাবালিতে ঢেকে যাচ্ছে। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত একের পর এক ট্রাক্টর চলাচল করায় পুরো এলাকা ধুলোর মেঘে অন্ধকার হয়ে পড়ছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ঘরের দরজা-জানালা বন্ধ রাখলেও ধুলো ঢুকে পড়ছে। আসবাবপত্র, খাবার এমনকি বিছানাপত্রও ধুলায় নষ্ট হচ্ছে। শিশু ও বয়স্করা শ্বাসকষ্ট, কাশি ও চোখ জ্বালাপোড়ায় ভুগছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
এক গৃহিণী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “এভাবে চলতে থাকলে আমাদের বসবাসই কঠিন হয়ে যাবে।”
একাধিক কৃষক জানান, ফসলি জমি নষ্টের পাশাপাশি এখন জনস্বাস্থ্যও ঝুঁকির মুখে।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত জিহাদের বক্তব্য জানতে চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এখন এলাকাবাসীর দাবি—
পুকুর খননের বৈধতা যাচাই
অবৈধ হলে খনন কার্যক্রম বন্ধ
মাটি পরিবহনে নিয়ম মেনে যানবাহন ঢেকে রাখা ও নিয়মিত পানি ছিটিয়ে ধুলো নিয়ন্ত্রণমুসলিমপুর মাঠের এই পুকুর খনন ও ট্রাক্টর দৌরাত্ম্য এখন পুরো শিবগঞ্জজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।






