পবিত্র রমজানকে সামনে রেখে সরকারের ভিজিএফ (VGF) কর্মসূচির আওতায় দরিদ্র ও অসহায় মানুষের জন্য বরাদ্দকৃত খাদ্য সহায়তা বিতরণকে ঘিরে স্থানীয়ভাবে নানা অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের তীর উপজেলা বিএনপির সদস্য মাহবুব ডাক্তারের দিকে।
স্থানীয় কয়েকজন ভুক্তভোগী দাবি করেছেন, ভিজিএফ কার্ড বিতরণে স্বচ্ছতা বজায় রাখা হয়নি এবং প্রকৃত উপকারভোগীদের তালিকায় অনিয়মের আশ্রয় নেওয়া হয়েছে। কেউ কেউ অভিযোগ করেন, রাজনৈতিক প্রভাব ও ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দের ভিত্তিতে কার্ড বিতরণ করা হয়েছে। ফলে অনেক প্রকৃত অসহায় পরিবার তালিকা থেকে বাদ পড়েছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে মাহবুব ডাক্তার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “আমি কোনো অনিয়মের সঙ্গে জড়িত নই। একটি স্বচ্ছ প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই তালিকা প্রণয়ন করা হয়েছে। আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।”
উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভিজিএফ বিতরণে কোনো অনিয়মের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। সংশ্লিষ্ট দপ্তর বলছে, দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য বরাদ্দকৃত সহায়তা যাতে সঠিক ব্যক্তির হাতে পৌঁছে, সে বিষয়ে তারা কঠোর নজরদারিতে রয়েছে।
এদিকে বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনেও আলোচনা-সমালোচনার ঝড় বইছে। সচেতন মহল মনে করছেন, ভিজিএফের মতো স্পর্শকাতর সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি।
ঘটনার প্রকৃত সত্য উদঘাটনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত তদন্ত ও কার্যকর পদক্ষেপ প্রত্যাশা করছেন সাধারণ মানুষ।






