২০২৪-২০২৫ অর্থ বছরে যশোরে ১০০টি কলকারখানায় শিশু শ্রম মুক্ত করা হয়েছে। এসময় ৫৯ শিশুকে শিশুশ্রম হতে নিরসন করা হয়। মঙ্গলবার সকালে কালেক্টরেট সভা কক্ষ অমিত্রাক্ষরে যশোর জেলা শিশুশ্রম পরিবীক্ষণ কমিটির ২৩তম সভায় বিষয়টি উঠে আসে। জেলা প্রশাসন ও কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের উদ্যোগে এ সভার আয়োজন করা হয়। সভায় কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের উপ-মহাপরিদর্শক আরিফুল ইসলাম বলেন- শিশুদের পরিষ্কার পরিছন্নতার কথা মাথায় রেখে নিরাপদ স্যানিটেনশন ব্যবস্থা করার জন্য পৌরসভাকে ব্যবস্থা গ্রহনের লক্ষ্যে চিঠি হয়েছে। যশোরে ৭টি ঝুঁকিপূর্ণ কলকারখানা চিহ্নিত করে মালিক পক্ষের সাথে কয়েক দফা আলোচনায় বসা হয়েছে। যাতে প্রতিটি শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার সাপ্তাহিক ছুটিসহ যে সব সুবিধা তাদের পাওয়ার কথা সেটার ব্যবস্থা করা হয়। বেসরকারি হাসপাতাল ক্লিনিকের কর্মচারীদের এই সুবিধার আওতায় আনা হবে। যশোরের আব্দুর রশিদ খান ঠাকুর ফাউন্ডেশনের সমন্বয়কারী আব্দুর রহমান বলেন- ১৬ শিশুকে কলকারখানা শ্রম হতে নিরসন করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৪ শিশুকে স্কুলে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের স্কুল ব্যাগ, পোষাক, বই দেয়া হয়েছে। দুই শিশু পড়তে রাজি না হওয়ার তাদের ভারী কাজ থেকে নিরসন করে দোকানে সহজ কাজের ব্যবস্থা করা হয়েছে । এদের অসহায় পরিবারের মাকে নারী সংস্থার মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের মাধ্যমে তিন মাসের সেলাইয়ের প্রশিক্ষণ দিয়ে সেলাই মেশিন প্রদান করা হয়েছে। বাকী শিশুদের বিভিন্ন কঠিন কাজ থেকে নিরসন করা হয়। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সুজন সরকারের সভায় সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন জেলা শিক্ষা অফিসার মাহফুজুল হোসেন, পুলিশ পরিদর্শক শহিদ তিতুমীর জেলা প্রতিবন্দী বিষয়ক কর্মকর্তা মুনা আফরিন, কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের পরিদর্শক শওকত হোসেন, বিসিকের শিল্পকনগরী কর্মকর্তা মেহেদী হাসান প্রমুখ।