সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ০৮:০২ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
জামায়াত-বিএনপির সংঘর্ষে আহত ৫, পাল্টাপাল্টি অভিযোগ বক্তব্য প্রদানকালে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লেন জেলা জামায়াত আমির গুম করে আমাকে একটি রুমে রাখা হয়, সেখানে টেবিলের গায়ে লেখা ছিল সিটিআইবি: হুমাম কাদের চেয়ারম্যানের বাড়িতে দাঁড়িপাল্লার গণসংযোগ, জামায়াতের প্রার্থীকে শোকজ রাজারহাটে তিস্তা তীর সংরক্ষণ প্রকল্পের আড়ালে অবৈধ বালু বাণিজ্যের অভিযোগ এসজেডএইচএম ট্রাস্ট নিয়ন্ত্রণাধীন উম্মুল আশেকীন মুনাওয়ারা বেগম এতিমখানা ও হেফজখানা পরিচালনা পর্ষদের গঠিত নতুন কমিটির সভা অনুষ্ঠিত ফরিদপুরে পেট্রোল পাম্পে ডাকাতি মরহুমদের কবর জিয়ারত ও স্থানীয়দের সঙ্গে সাক্ষাতে কাঁঠালিয়ায় সক্রিয় সৈকত সিরাজদিখানে মা ও মেয়ের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার ঝিনাইদহ জেলা পুলিশের বড় ধামাকা! হারানো ৮৬টি স্মার্টফোন ও হাতিয়ে নেওয়া টাকা ফেরত পেয়ে খুশিতে আত্মহারা মালিকরা

পটুয়াখালীতে কলেজ শিক্ষার্থী সিয়াম হত্যা ঘটনার ১২ ঘণ্টার মধ্যে প্রধান দুই আসামি গ্রেপ্তার

মোঃ ইয়াহিয়া শাকুর / ৪১
Update Time : সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ০৮:০২ অপরাহ্ন

পটুয়াখালীতে কলেজ শিক্ষার্থী সাইমন ইসলাম সিয়াম (১৭) হত্যা মামলার প্রধান দুই অভিযুক্তকে ঘটনার মাত্র ১২ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব-৮। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন মো. রাইয়ান ও মো. রাশেদ।

র‍্যাব জানায়, গত ২৩ ডিসেম্বর পটুয়াখালী জেলার মির্জাগঞ্জ থানাধীন সুবিদখালী সরকারি কলেজসংলগ্ন বালুর মাঠে নৃশংসভাবে পিটিয়ে হত্যা করা হয় ঢাকা রমিজউদ্দিন স্কুল অ্যান্ড কলেজের এইচএসসি প্রথম বর্ষের ছাত্র সাইমন ইসলাম সিয়ামকে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, সিয়াম গত ১৮ ডিসেম্বর ঢাকা থেকে পটুয়াখালীর মাদারবুনিয়া গ্রামে তার নানাবাড়িতে বেড়াতে আসে। ঘটনার দিন দুপুর আনুমানিক ৩টা ১৫ মিনিটে সে তার খালাত ভাই আব্দুল্লাহ আল মামুনকে সঙ্গে নিয়ে সুবিদখালী সরকারি কলেজের উত্তর পাশে বালুর মাঠে ঘুরতে গেলে সেখানে ওঁত পেতে থাকা একদল সন্ত্রাসী তাদের পথরোধ করে। পরিচয় জানতে চাওয়াকে কেন্দ্র করে তর্কের একপর্যায়ে লাঠি দিয়ে সিয়ামের মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে নির্মমভাবে আঘাত করা হয়।

মারধরের ফলে গুরুতর আহত সিয়ামকে অভিযুক্তরা মোটরসাইকেলে করে মির্জাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। পরে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ সময় সিয়ামের খালাত ভাই আব্দুল্লাহ আল মামুনকেও মারধর করা হয়। তিনি বর্তমানে শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এ ঘটনায় নিহতের বাবা বাদী হয়ে মির্জাগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

নৃশংস এই হত্যাকাণ্ডের পরপরই র‍্যাব-৮ ছায়া তদন্ত শুরু করে। আসামিরা এলাকা ছেড়ে আত্মগোপনে চলে গিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করে। তবে র‍্যাব-৮ ও র‍্যাব-১০ এর যৌথ আভিযানিক দল আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তাদের অবস্থান শনাক্ত করতে সক্ষম হয়।

এরপর ঢাকার যাত্রাবাড়ীর ধোলাইপাড় এলাকায় যৌথ অভিযান চালিয়ে মামলার ১ নম্বর অভিযুক্ত মো. রাইয়ান (পিতা: আব্দুস সালাম, সাং- উত্তর সুবিদখালী) এবং ২ নম্বর অভিযুক্ত মো. রাশেদ (পিতা: মো. রফিকুল ইসলাম পিন্টু, সাং- ডিবুয়াপুর), উভয়ই মির্জাগঞ্জ থানা, পটুয়াখালী জেলার বাসিন্দা—কে গ্রেপ্তার করা হয়।

র‍্যাব জানায়, গ্রেপ্তারকৃতদের আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তরের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। একই সঙ্গে মামলার অন্যান্য পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

র‍্যাব আরও জানায়, সাধারণ মানুষের জানমাল রক্ষা এবং সন্ত্রাস দমনে তারা সবসময় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category