সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ০৯:০৮ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
জামায়াত-বিএনপির সংঘর্ষে আহত ৫, পাল্টাপাল্টি অভিযোগ বক্তব্য প্রদানকালে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লেন জেলা জামায়াত আমির গুম করে আমাকে একটি রুমে রাখা হয়, সেখানে টেবিলের গায়ে লেখা ছিল সিটিআইবি: হুমাম কাদের চেয়ারম্যানের বাড়িতে দাঁড়িপাল্লার গণসংযোগ, জামায়াতের প্রার্থীকে শোকজ রাজারহাটে তিস্তা তীর সংরক্ষণ প্রকল্পের আড়ালে অবৈধ বালু বাণিজ্যের অভিযোগ এসজেডএইচএম ট্রাস্ট নিয়ন্ত্রণাধীন উম্মুল আশেকীন মুনাওয়ারা বেগম এতিমখানা ও হেফজখানা পরিচালনা পর্ষদের গঠিত নতুন কমিটির সভা অনুষ্ঠিত ফরিদপুরে পেট্রোল পাম্পে ডাকাতি মরহুমদের কবর জিয়ারত ও স্থানীয়দের সঙ্গে সাক্ষাতে কাঁঠালিয়ায় সক্রিয় সৈকত সিরাজদিখানে মা ও মেয়ের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার ঝিনাইদহ জেলা পুলিশের বড় ধামাকা! হারানো ৮৬টি স্মার্টফোন ও হাতিয়ে নেওয়া টাকা ফেরত পেয়ে খুশিতে আত্মহারা মালিকরা

চট্টগ্রাম বন্দরের সীমাহীন দুর্নীতি

আহমদ উল্লাহ   / ৬২
Update Time : সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ০৯:০৮ অপরাহ্ন

চট্টগ্রাম বন্দরের নামে যারা আজ তথাকথিত “দেশপ্রেমের” মুখোশ পরে আন্দোলন করছে— তারা দেশের স্বার্থ নয়, বরং নিজেদের দুর্নীতি ও লুটপাটের সাম্রাজ্য রক্ষা করতেই বেশি ব্যস্ত।
চট্টগ্রাম বন্দরের বিদ্যুৎ বিভাগে লিফট কেনাকে কেন্দ্র করে যে ভয়াবহ দুর্নীতির ছবি উঠে এসেছে—তা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়।
১৮ লাখ টাকার লিফট ১ কোটি ১৫ লাখ টাকায় কেনা হয়েছে!
এটা কি দেশপ্রেম? নাকি বন্দরকে নিজের বাপের সম্পত্তি মনে করে লুট করার লাইসেন্স?
যারা আজ বিদেশিদের হাতে বন্দর গেলে নাকি দেশের ক্ষতি হবে—এমন ভুয়া প্রপাগান্ডা ছড়াচ্ছে, তাদের আসল উদ্দেশ্য এখন দেশের ১৮ কোটি মানুষই বুঝে গেছে।
বছরের পর বছর ধরে তারাই বন্দরকে দুর্নীতির অভয়ারণ্য বানিয়ে রেখেছে। এখন নিজেদের কমিশন, ঘুষ, চাঁদাবাজি ও সুবিধা বাঁচাতে আন্দোলনের নামে মহানাটক করছে।
আজ লিফট—কাল অন্য কিছু—চট্টগ্রাম বন্দরের যেখানে যেখানে দুর্নীতি হয়েছে, সব একটির পর একটি তুলে ধরা হবে।
 বন্দরের যেসব সেক্টরে দুর্নীতিঃ
নিচের বিভাগগুলোতে বছরের পর বছর ধরে পরিকল্পিতভাবে দুর্নীতি, কমিশন খাওয়া, ফাইল আটকে রাখা, ঘুষ গ্রহণ, চাঁদাবাজি—সব চলছে।
১️⃣ ইলেকট্রিক্যাল ডিপার্টমেন্ট
লিফট কেনায় কোটি টাকার লুট
প্রকল্প মূল্যায়নে অতিরিক্ত বিল
রক্ষণাবেক্ষণে অযৌক্তিক খরচ
2️⃣ মেকানিক্যাল ডিপার্টমেন্ট
যন্ত্রপাতি কেনায় অস্বাভাবিক বাজেট
একই যন্ত্রপাতি বারবার “কনডেমড” দেখিয়ে নতুন কেনা
স্পেয়ার পার্টসের নামে কোটি টাকা ব্যয়
3️⃣ স্টোরস / সাপ্লাই ডিপার্টমেন্ট
প্রয়োজনের বাইরে পণ্য ক্রয়
কমদামে কিনে বেশি দামে দেখানো
লুকানো টেন্ডার, ভেতরের চক্রের কমিশন
4️⃣ ট্রাফিক ডিপার্টমেন্ট
ট্রাক মুভমেন্ট, ডেলিভারি শিডিউল, গেটপাসে ঘুষ-দুর্নীতি
অগ্রাধিকার সুবিধা দিতে মোটা অঙ্কের ঘুষ
কনটেইনার ডেলিভারিতে ইচ্ছাকৃত দেরি করে সুবিধা আদায়
5️⃣ সিকিউরিটি ডিপার্টমেন্ট
গেট কন্ট্রোল, প্রবেশ-প্রস্থান, ভেরিফিকেশন—সব জায়গায় ঘুষের প্রভাব
অনুমতি ছাড়াই পণ্য বের করে নেওয়া
ভিআইপি সুবিধা দেওয়ার নামে অঘোষিত “রেট”
6️⃣ টেন্ডার ও প্রকিউরমেন্ট সেক্টর
ইচ্ছাকৃতভাবে একই চক্রকে টেন্ডার দেওয়া
দরপত্র সাজিয়ে দেওয়া
বিল-অডিটে দীর্ঘসূত্রতা দেখিয়ে কমিশন নেওয়া


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category