রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ০৯:৪৫ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
জামায়াত নেতাকর্মীরা দেশেই ছিলেন, মুচলেকা দিয়ে পালিয়ে যাননি : শফিকুর রহমান সোনারগাঁয়ে প্রতিবন্ধী অটোরিকশা চালক হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার-৫ শার্শায় বিজিএমইএ বিশ্ব বিদ্যালয়ের আয়োজনে মতবিনিময় সভা সেনাবাহিনী ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের যৌথ অভিযানে হেরোইন ও গাঁজাসহ গ্রেপ্তার-১ খুলনা মফস্বল প্রেসক্লাবের আলোচনা ও প্রীতিভোজের মাধ্যমে যাত্রা শুরু আমি চাই এমন একটি প্লাটফর্ম যেখানে সবাই কথা বলবে- রাজিব আহসান নাগরপুরে ধানের শীষের পক্ষে নির্বাচনীয় মিছিল জালনোট প্রচলন প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে যশোরের দিনব্যাপি কর্মশালা শেখ হাসিনার অবস্থান নিয়ে তির্যক মন্তব্য ভারতীয় সাবেক ক্রিকেটারের জালনোট প্রচলন প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে যশোরের দিনব্যাপি কর্মশালা

পানি ভাতের কুদ্দুইচ্ছে

কোহিনূর আলম / ৯৬
Update Time : রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ০৯:৪৫ পূর্বাহ্ন

প্রায়শই তিনি কথায় কথায় /বিভিন্ন মঞ্চে বলে থাকেন, আমি পানি ভাতের কুদ্দুইচ্ছে! তাঁর মানে হচ্ছে তিনি তাঁর শিখড় ভুলে যান নি । একটি সময় গ্রামে গ্রামে বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে গানের আসর জমাতেন । ঐ সময় আবহমান বাঙালির অন্যতম প্রধান খাবার পানি ভাত খেয়েই আসর শেষ করতে হতো তাঁর ।
যা-ই হোক আবদুল কুদ্দুস বয়াতি মূলত ১৯৪৯ সালের ২২ জানুয়ারি, নেত্রকোণার কেন্দুয়ার রাজীবপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন । তাঁর পিতার মাধ্যমে মাত্র ১১ বছর বয়স থেকে সঙ্গীত চর্চা শুরু করেন । আর্থিক অনটনে লেখাপড়ার সুযোগ পাননি। পরবর্তীতে কাজের সন্ধানে ঢাকা চলে আসেন । এ সময় কিছুদিন আফজাল হোসেনের সাথে পরিচয়ের সূত্র ধরে চারণ সঙ্গীতের প্রামাণ্যচিত্রে অভিনয় করেন ।
কদ্দুস বয়াতির দুটি একক অ্যালবামের নাম সোনার নূপুর, আম খায়ো জাম খায়ো তেঁতুল খায়ো না। এছাড়া এছাড়াও অসংখ্য জনপ্রিয়ো বিজ্ঞাপণচিত্র, নাটক ও প্রামাণ্যচিত্রে গান গেয়েছেন তিনি । ব্যক্তিগত জীবনে কুদ্দুস বয়াতি চার ছেলে ও তিন মেয়ের জনক ।
কুদ্দুস বয়াতি বাংলাদেশি একজন জনপ্রিয়ো লোকসঙ্গীত শিল্পী । তাঁকে বিভিন্ন মাধ্যমে বাংলাদেশের ‘লোকসঙ্গীতের মহাতারকা’ বলেও সম্বোধন করা হয় । তিনি ১৯৯২ সালে প্রয়াত কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের নির্মিত বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষার প্রচারণার অংশ হিসেবে গাওয়া ‘এই দিন, দিন না আরো দিন আছে’ শিরোনামে একটি গানের মাধ্যমে পরিচিতি পান । কোভিড-১৯ রোগের প্রাদুর্ভাবকালীন ব্র্যাকের পক্ষ থেকে তিনি জাইনা চলেন, মাইনা চলেন গানে অংশ নেন ।
তাঁর সম্পর্কে কেন্দুয়া প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহসভাপতি ও সাংবাদিক মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, লোকশিল্পী আবদুল কুদ্দুস বয়াতি কেন্দুয়া তথা সারা দেশের সম্পদ । তিনি আরো বলেন, কেন্দুয়ার রোয়াইলবাড়ি আমতলা ইউনিয়নের গর্ব কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের হাত ধরেই মূলত কুদ্দুস বয়াতির উত্থান । তাছাড়া মিডিয়া কভারেজও উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করেছে ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category