রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ০৯:৫৯ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
জামায়াত নেতাকর্মীরা দেশেই ছিলেন, মুচলেকা দিয়ে পালিয়ে যাননি : শফিকুর রহমান সোনারগাঁয়ে প্রতিবন্ধী অটোরিকশা চালক হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার-৫ শার্শায় বিজিএমইএ বিশ্ব বিদ্যালয়ের আয়োজনে মতবিনিময় সভা সেনাবাহিনী ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের যৌথ অভিযানে হেরোইন ও গাঁজাসহ গ্রেপ্তার-১ খুলনা মফস্বল প্রেসক্লাবের আলোচনা ও প্রীতিভোজের মাধ্যমে যাত্রা শুরু আমি চাই এমন একটি প্লাটফর্ম যেখানে সবাই কথা বলবে- রাজিব আহসান নাগরপুরে ধানের শীষের পক্ষে নির্বাচনীয় মিছিল জালনোট প্রচলন প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে যশোরের দিনব্যাপি কর্মশালা শেখ হাসিনার অবস্থান নিয়ে তির্যক মন্তব্য ভারতীয় সাবেক ক্রিকেটারের জালনোট প্রচলন প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে যশোরের দিনব্যাপি কর্মশালা

জাল সনদে চাকরি প্রতিষ্ঠানের অর্থ আত্মসাৎ ও প্রতারণার দায়ে ঝিনাইদহের এক প্রধান শিক্ষককে সাত বছরের সশ্রম কারাদন্ড

Md Rasel Hossain / ৮৬
Update Time : রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ০৯:৫৯ পূর্বাহ্ন

জাল সনদে চাকরি, প্রতিষ্ঠানের অর্থ আত্মসাৎ ও প্রতারণার দায়ে ঝিনাইদহের এক প্রধান শিক্ষককে ৭ বছর সশ্রম কারাদন্ড ও ১০ হাজার টাকার অর্থদন্ড করেছে ঝিনাইদহের একটি বিচারিক আদালত। বুধবার দুপুরে ঝিনাইদহ চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্টেট আদালতের বিচারক মোঃ মাসুদ আলী এই রায় ঘোষনা করেন।
দন্ডিত ব্যক্তির নাম রণি আক্তার। তিনি ঝিনাইদহ সদর উপজেলার দুর্গাপুর নারায়নপুর পুটিয়া গ্রামের নরুল ইসলামের ছেলে এবং স্থানীয় গোয়ালপাড়া অধ্যক্ষ মোশাররফ হোসেন-সালেহা খাতুন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক। ২০২৪ সালের ১৪ নভেম্বর ওই স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক নাসরিন আক্তার রণি আক্তারের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ ও জাল সনদ দিয়ে চাকরী করার অভিযোগে একটি মামলা করেন।
বিজ্ঞ আদালত সাক্ষ্য প্রমান শেষে অভিযোগ সত্য প্রমানিত হয় উল্লেখিত রায় প্রদান করেন। সরকার পক্ষে এ্যাড এ এস এম রাকিবুল হাসান ও আসামী পক্ষে তারিকুল ইসলাম মামলাটি পরিচালক করেন।
মামলা সুত্রে জানা গেছে, আসামী রণি আক্তার গোয়ালপাড়া অধ্যক্ষ মোশাররফ হোসেন-সালেহা খাতুন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক হিসাবে কর্মরত ছিলেন। তিনি জাল জালিয়াতী চক্রের সদস্য হওয়ায় তার শিক্ষক নিবন্ধন ও বিএড সনদ পত্র জাল জালিয়াতির মাধ্যমে সৃজন করে তাহা সঠিক বলে বিদ্যালয়ে চাকরি করে আসছিলেন। চাকরী করার সুবাদে তিনি নিয়োগ বানিজ্যসহ স্কুলের লাখ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেন।
মামলার এজাহারে বলা হয়, ২০২২ সালের জুলাই মাসে বিদ্যালয়টি এমপিও ভুক্ত হয়। এমপিও ভুক্ত হওয়ার পর আসামী রণি আক্তার তার সরকারী বেতন ভাতা প্রাপ্তির লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বরাবর তার শিক্ষক নিবন্ধন ও বিএড সনদ পত্রসহ প্রয়োজনীয় কাগজ পত্র দাখিল করেন। আসামীর দাখিলকৃত শিক্ষক নিবন্ধন ও বিএড সনদসহ অন্যান্য কাগজ পত্র যাছাই বাছাই অন্তে সংশ্লিষ্ট কর্তৃকপক্ষ ভুয়া ও জাল বলে প্রমানিত হয় এবং তার সরকারী বেতন ভাতা বাতিল করে।
আসামী উক্ত প্রতিষ্ঠানে কর্মরত থাকাবস্থায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আয়কৃত টাকা ও কাগজপত্র বুঝিয়ে না দিয়ে ২০২৪ সালের ৯ আগষ্ট বিদ্যালয় থেকে পালিয়ে আত্মগোপন করেন। রায় ঘোষনার সময় আসামী রণি আক্তার উপস্থিত ছিলেন। তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category