ঝালকাঠির কাঠালিয়ায় এক ছাত্রদল নেতার মারধর ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেছেন এক নারী।
মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) সকাল ১১টায় কাঠালিয়া প্রেসক্লাবে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন উপজেলার দক্ষিণ কৈখালী গ্রামের বাসিন্দা সালমা বেগম। তাঁর স্বামী মো. মনির হাওলাদার এবং পিতা আব্দুল সালাম।
লিখিত বক্তব্যে তিনি অভিযোগ করেন, কাঠালিয়া উপজেলার পশ্চিম আউরা গ্রামের তাজেল হোসেনের ছেলে মো. খালেদ মাহমুদ অন্তর (২০), সাধারণ সম্পাদক, সরকারি তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদল; মো. মহিদ্দীন (৫০) ও মো. হুমায়ুন কবির (৭০)— এ তিনজনের সঙ্গে তাঁদের পারিবারিক জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে।
তিনি জানান, স্থানীয়ভাবে সালিশের মাধ্যমে উভয় পক্ষের জমির কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করে সালিশদল তাঁর পক্ষে রায় দিলে বিবাদীরা ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে।
সালমা বেগম অভিযোগ করেন, “গত ২৭ অক্টোবর সকাল ১০টার দিকে পূর্বপরিকল্পিতভাবে বিবাদীরা আমাদের বাড়িতে হামলা চালায়। হাতে দা, রামদা, লোহার রড ও লাঠিসোটা নিয়ে তারা আমার স্বামী ও পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলা করে। এ সময় ছাত্রদল নেতা খালেদ মাহমুদ অন্তর তাঁর প্রভাব খাটিয়ে আমাকে ও আমার স্বামীকে এলোপাতাড়ি মারধর করে আহত করে এবং প্রাণনাশের হুমকি দেয়।”
তিনি আরও জানান, ঘটনাস্থলে উপস্থিত প্রতিবেশী মো. নয়ন প্রতিবাদ করলে তাকেও মারধর করা হয়। পরে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে তাদের উদ্ধার করেন।
সংবাদ সম্মেলনে সালমা বেগম বলেন, “ছাত্রদল নেতা খালেদ মাহমুদ অন্তর প্রকাশ্যে হুমকি দিয়েছে— সুযোগ পেলে দলের লোকজন দিয়ে হাত-পা কেটে আমাকে হত্যা করবে।”
তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় তিনি কাঠালিয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
তিনি সরকারের সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে নিজের ও পরিবারের সদস্যদের জীবনের নিরাপত্তা এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে বিচার দাবি করেন।
সংবাদ সম্মেলনে স্থানীয় সাংবাদিকবৃন্দ ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।