সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ০৮:৪৩ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
জামায়াত-বিএনপির সংঘর্ষে আহত ৫, পাল্টাপাল্টি অভিযোগ বক্তব্য প্রদানকালে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লেন জেলা জামায়াত আমির গুম করে আমাকে একটি রুমে রাখা হয়, সেখানে টেবিলের গায়ে লেখা ছিল সিটিআইবি: হুমাম কাদের চেয়ারম্যানের বাড়িতে দাঁড়িপাল্লার গণসংযোগ, জামায়াতের প্রার্থীকে শোকজ রাজারহাটে তিস্তা তীর সংরক্ষণ প্রকল্পের আড়ালে অবৈধ বালু বাণিজ্যের অভিযোগ এসজেডএইচএম ট্রাস্ট নিয়ন্ত্রণাধীন উম্মুল আশেকীন মুনাওয়ারা বেগম এতিমখানা ও হেফজখানা পরিচালনা পর্ষদের গঠিত নতুন কমিটির সভা অনুষ্ঠিত ফরিদপুরে পেট্রোল পাম্পে ডাকাতি মরহুমদের কবর জিয়ারত ও স্থানীয়দের সঙ্গে সাক্ষাতে কাঁঠালিয়ায় সক্রিয় সৈকত সিরাজদিখানে মা ও মেয়ের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার ঝিনাইদহ জেলা পুলিশের বড় ধামাকা! হারানো ৮৬টি স্মার্টফোন ও হাতিয়ে নেওয়া টাকা ফেরত পেয়ে খুশিতে আত্মহারা মালিকরা

হাসপাতাল উচ্ছেদের চেষ্টায় গভীর রাতে ভবনে আগুন

Emon ismail / ৩৭
Update Time : সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ০৮:৪৩ অপরাহ্ন

চট্টগ্রাম নগরীর পাঁচলাইশ থানা এলাকার প্রবর্তক মোড়ে অবস্থিত সেন্ট্রাল সিটি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে রহস্যজনক আগুনের ঘটনা ঘটেছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, ভবনের মালিক ইচ্ছাকৃতভাবে আগুন লাগিয়ে তাদের উচ্ছেদের চেষ্টা করেছেন।
ভুক্তভোগী সেন্ট্রাল সিটি হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. রেজাউল ইসলাম এ ঘটনায় গত ২০ অক্টোবর চট্টগ্রাম নগরীর পাঁচলাইশ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। জিডিতে তিনি উল্লেখ করেন, ১৯ অক্টোবর রাত সাড়ে ১১টার দিকে হাসপাতাল ভবনের নিচতলায় আগুন লাগে। এতে লিফটসহ ভবনের নিচের অংশের বেশ কিছু জায়গা পুড়ে যায়।
আরও উল্লেখ করা হয়, ভবনের মালিক মোহাম্মদ সৈয়দ মিয়া দীর্ঘদিন ধরে নানা কৌশলে তাকে হাসপাতাল থেকে উচ্ছেদের চেষ্টা করে আসছেন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের ধারণা, ওই আগুন লাগার ঘটনাটিও সেই পরিকল্পনারই অংশ।
অভিযুক্ত সৈয়দ মিয়া চট্টগ্রাম নগরের প্রবর্তক মোড় এলাকার কসমোপলিটন সোসাইটি রোডের বাসিন্দা। তিনি মৃত ইউনুস মিয়ার ছেলে ও সেন্ট্রাল সিটি হাসপাতাল ভবনের মালিক।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ২০১৫ সালে সম্পূর্ণ ভবনটি আট বছরের জন্য চুক্তিরমূলে ভাড়া নেওয়া হয়। তবে হাসপাতালের কার্যক্রম শুরু হয় ২০১৮ সালে। ভবনটি হাসপাতালের উপযোগী করতে লিফট, জেনারেটর, বাথরুম, বিদ্যুৎ ও স্যানিটারি লাইন, ইন্টেরিয়র ডিজাইনসহ প্রায় ২ কোটি টাকা ব্যয় করা হয়। এছাড়া মেশিনারিজ ও সরঞ্জাম কিনতে আরও প্রায় সাড়ে চার কোটি টাকা খরচ হয়।
এই বিষয়ে রেজাউল ইসলাম বলেন, চুক্তি অনুযায়ী প্রতি মাসে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা ভাড়া পরিশোধ করি। কিন্তু কার্যক্রম শুরুর পর ভবনের মালিক একটি কক্ষ ও এম্বুলেন্স সার্ভিস ব্যক্তিগত ব্যবহারের অনুমতি দাবি করেন। রাজি না হওয়ায় ভাড়া নেওয়া বন্ধ করে বিভিন্নভাবে হয়রানি শুরু করেন।
ভাড়া দিতে চাইলেও তারা গ্রহণ করতেন না। শেষ পর্যন্ত আদালতের মাধ্যমে ভাড়া পরিশোধ করতে হয়েছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি, এই ঘটনার মাধ্যমে ভবনের মালিক তাদের অবৈধভাবে উচ্ছেদ করার অপচেষ্টা চালাচ্ছেন বলে অভিযোগ করেন।
এ বিষয়ে ভবন মালিকের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category