ময়মনসিংহের গৌরীপুর থানার একটি আলোচিত ধর্ষণ মামলার একমাত্র পলাতক ও প্রধান আসামি মোঃ রিফাত মিয়া (২০)‘কে গ্রেফতার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) ১৪।
সোমবার (৮ জুন) সন্ধ্যা আনুমানিক সাড়ে ৬টার দিকে গাজীপুর জেলার শ্রীপুর থানাধীন আঁশপাড়া এলাকার প্যারামাউন্ড টেক্সটাইল ফ্যাক্টরির সামনে যৌথ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
সিপিএসসি, র্যাব-১৪ (ময়মনসিংহ) এবং সিপিএসসি, র্যাব-১ (গাজীপুর)-এর একটি চৌকস দল এই বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। গ্রেফতারকৃত রিফাত মিয়া ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলার বাসিন্দা।
র্যাব সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী ১৫ বছর বয়সী এক স্কুলপড়ুয়া ছাত্রী। আসামি রিফাত মিয়া ভিকটিমের প্রতিবেশী হওয়ার সুবাদে স্কুলে যাওয়া-আসার পথে তাকে প্রায়ই কুপ্রস্তাবসহ বিভিন্নভাবে উত্যক্ত করতো। গত বছরের ২০ মার্চ (২০২৫ খ্রি.) রাত আনুমানিক সাড়ে ১০টার দিকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ভিকটিমকে বাড়ি থেকে একটি আম বাগানে নিয়ে যায় রিফাত। সেখানে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক ধর্ষণ করা হয়।
এই ঘটনায় ভিকটিমের বাবা বাদী হয়ে গৌরীপুর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধিত ২০২০)-এর ৯(১) ধারায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন (মামলা নং-১৫, তারিখ: ২৩ মার্চ ২০২৫ খ্রি.)। মামলা দায়েরের পর থেকেই আসামি রিফাত মিয়া গ্রেফতার এড়াতে দেশের বিভিন্ন এলাকায় ক্রমাগত আত্মগোপন করে আসছিল।
মামলা রুজুর পর থেকেই র্যাব-১৪ ঘটনাটির ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং আসামির ওপর গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করে। এরই ধারাবাহিকতায়, গোপন সংবাদ ও নিয়মিত গোয়েন্দা তৎপরতার ভিত্তিতে সোমবার সন্ধ্যায় গাজীপুরের শ্রীপুর থেকে তাকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় র্যাব।
র্যাব-১৪-এর মিডিয়া অফিসার (সিনিয়র সহকারী পরিচালক) স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। নারীর নিরাপত্তা রক্ষা এবং অপরাধ দমনে র্যাব সর্বদা তৎপর রয়েছে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।





