বাংলা সাহিত্যের অমর কথাশিল্পী, পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ফরিদপুরে বিনম্র শ্রদ্ধায় নানা কর্মসূচি পালিত হয়েছে। শনিবার ফরিদপুর শহরের অম্বিকাপুরে কবির সমাধিস্থলে পুষ্পস্তবক অর্পণ, আলোচনা সভা ও বিশেষ দোয়ার মাধ্যমে দিনটি স্মরণ করা হয়।
শ্রদ্ধারোহন ও আয়োজকবৃন্দ
ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক কামরুল হাসান মোল্লা-র সভাপতিত্বে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে কবির সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন:
ফরিদপুর জেলা প্রশাসন ও জেলা পুলিশ।
ফরিদপুর ফাউন্ডেশন ও জসিম ফাউন্ডেশন।
ফরিদপুর প্রেসক্লাব ও জেলা শিল্পকলা একাডেমি।
ফরিদপুর সাহিত্য পরিষদ এবং আনসার উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীবৃন্দ।
আলোচনা সভা ও বক্তাদের বক্তব্য :
শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে এক সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক কামরুল হাসান মোল্লা, প্রথিতযশা সাংবাদিক ও সাহিত্যিক মফিজ ইমাম মিলন, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ এম এ সামাদ এবং ফরিদপুর মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক এ এফ এম কাইউম জঙ্গি।
বক্তারা বলেন, জসীমউদ্দীনের সাহিত্যকর্ম কেবল আমাদের ঐতিহ্যের অংশ নয়, বরং তা নতুন প্রজন্মের জন্য এক বিশাল জীবনদর্শন। গ্রামীণ জীবন, মাটি ও মানুষের প্রতি তাঁর অকৃত্রিম ভালোবাসা ও মানবিক মূল্যবোধ থেকে শিক্ষা নেওয়ার জন্য তরুণ সমাজের প্রতি আহ্বান জানান তাঁরা।
বিশেষ ঘোষণা: ‘মৃত্যুঞ্জয় কবি’
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, পল্লীকবির জীবন ও কর্মকে নতুন প্রজন্মের কাছে আরও বিস্তারিতভাবে তুলে ধরতে শীঘ্রই ‘মৃত্যুঞ্জয় কবি’ নামক একটি বিশেষ গ্রন্থ প্রকাশিত হতে যাচ্ছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে পাঠকরা কবির অজানা অনেক তথ্য জানতে পারবেন বলে আশা প্রকাশ করা হয়।
দোয়া ও মোনাজাত:
অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে কবির বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন আনসার উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. আব্দুল আউয়াল। এ সময় জেলা প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধি এবং স্থানীয় সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।





