মানুষ কতটা ভয়ংকর হলে পুলিশ পরিচয়ে রাত্রি মানুষের বাড়িতে অভিযান চালায় ইউপি সদস্য মেম্বার হোসেন।
আর কত তামাশা দেখতে হবে দুই ইউপি সদস্যদের রসানলে জিম্মি স্থানীয় ভুক্তভোগী পরিবার প্রশাসন নীরবতায় একের পর এক রাষ্ট্রবিরোধী সমাজ বিরোধী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত থাকা সত্ত্বেও প্রশাসনের ঘুম ভাঙেনি।
অবৈধ অর্থের বিনিময়ে একজন ১৪ বছরের শিশুকে দুই মাসের গর্ভবতী বানিয়ে জোরপূর্বক বিয়ে দিতে কিছু টাকা কামিয়েছে দুই ইউপি সদস্য কিন্তু একটা পরিবার কে কতটা অমানবিক অত্যাচার নির্যাতন চালানো হয়েছে এই দুই মানুষ রুপি হিংস্র জানোয়ারের মতো আচরণ করছেন। এদিকে অভিযুক্তদের মিথ্যা অপবাদ প্রমাণ পাওয়া গেছে ডাক্তারের রিপোর্টে বলেছেন যুবতীর ধর্ষণ ও গর্ভবতীর আলামত পাওয়া যায়নি ঘটনাটি মনগড়া সাজানো মিথ্যা বানোয়াট দুই ইউপি সদস্যদের এ হলো অবৈধ অর্থ ইনকামের সোজা রাস্তা
বান্দরবানে, অভিনব ,কায়দায়, প্রবাস যাত্রী কে যাত্রা পথে আটক মারধর ও জিম্মি করে ১৪ বছরের ,যুবতীর ,সাথে মিথ্যা ,অপবাদ, দিয়ে দুই মাসের গর্ভবতী আক্ষাইত করে, জোরপূর্বক বিয়ে দিল, দুই,ইউপি, সদস্য জব্বার, মেম্বার,ও হোসেন মেম্বার, অভিযোগ, ভুক্তভোগী পরিবারের ।
ঘটনার একাধিক প্রমাণ পাওয়া গেছে উক্ত ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক সাঞ্চলের সৃষ্টি হয় জনমণে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে ।
এদিকে অভিযুক্ত দুই ইউপি সদস্যদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান স্থানীয় প্রত্যেক ধরশীরা হলেন আব্দস সালাম, প্রাক্তন মেম্বার ৭ নং ওয়ার্ড ৫ নং সরই ইউপি এবং সমাজের ,নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক, ব্যক্তিরা জানান সমাজের, জনপ্রতিনিধিরা,যদি দেশের প্রচলিত, আইন আদালত,না মানে সাধারণ, জনগণের, আশ্রয় নেয়ার স্থান কোথায় পাবেন এ প্রশ্ন জনমনে।
এদিকে অভিযুক্ত জব্বর মেম্বারের সাথে একাধিক বার যোগাযোগের চেষ্টা করেও মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়ায় বক্তব্য পাওয়া যায়নি ।
এ ছাড়াও অপর অভিযুক্ত মেম্বার হোসেন বলেন ঘটনার বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না বলে উরিয় দেন ।
এদিকে ধর্ষণ ও গর্ভবতীর বিষয় টি মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে লোহাগাড়া উপজেলা এশিয়াল্যাব থেকে পাওয়া রিপোর্ট থেকে দেখা যায় রিপোর্ট টি নেগেটিভ।
এদিকে বিয়ের ঘটনা অস্বীকার করেছেন কাজী মাওলানা ফরিদ উদ্দিন ও মাওলানা আব্দুল সফুর বলেন বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ আইন ভঙ্গ করে গত
২৪ /০১/২০২৬ ইং তারিখে কোন বিয়ে হয়নি কিন্তু বিয়ের ঘটনা সত্যি এ বিষয়ে উভয় পরিবারের এবং নিরপক্ষ সাক্ষীদের দেয়া তথ্যমতে মাওলানা ফরিদুল আলম বাল্যবিবাহ আইন ভঙ্গ করে বিয়ে সম্পন্ন করেছেন।
এ বিষয়ে লামা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ মঈন উদ্দিন বলেন ঘটনাটি নেক্কারজনক , ভুক্তভোগী পরিবারের লিখিত অভিযোগ পাওয়া মাত্র দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।




