ঝিনাইদহে মাওয়া জান্নাত নামে এক স্কুল শিক্ষিকার বিকৃত যৌনচারের একটি ছবি ও লেখা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র নিন্দা আলোচনা-সমালোচনার ঝড় উঠেছে।
জানা গেছে, শনিবার (আজ) সকালে ঝিনাইদহের চারুগৃহ নামে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ওই শিক্ষক নিজেকে বাংলাদেশ বেতারের আবৃত্তিকার ও কবি হিসেবে পরিচয়দানকারী মাওয়া জান্নাত তার ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে একটি বিকৃত যৌনচারের ছবি পোস্ট করেন। ছবিটির সঙ্গে তিনি একটি কবিতার মতো লেখা সংযুক্ত করেন, যেখানে রূপকধর্মী ভাষায় যৌনাচারের প্রতি ঈঙ্গিত করেন।
পোস্টে মাওয়া জান্নাত লেখেন “আকাশ মেঘলা এক্ষুনি ঝড় উঠবে চাষি বউ টের পায় আগে থেকে, হেঁসেল থেকে দৌড়ে গিয়ে কুঁড়েঘরে মাথা গোজে তারপর শুরু হয় ঝড় আমের মুকুল, সজিনার সাদা ফুল ঝরে পড়ে উঠোনে চাষি পরিশ্রমী মাথাল পরে সে মাটি কোপাতে থাকে…”
পোস্টটি প্রকাশের পরপরই ফেসবুকে নিন্দা ও সমালোচনার ঝড় ওঠে। অনেক নেটিজেন মন্তব্য করে লেখাটিকে “অশালীন”, “কুরুচিপূর্ণ” ও “শিক্ষকসুলভ আচরণের পরিপন্থী” বলে আখ্যা দেন।
নাসিরুল ইসলাম নামে এক অভিভাবক অভিযোগ করেন, তার কন্যা শিশু ওই প্রতিষ্ঠান পড়েন। সেখানকার একজন শিক্ষকের কাছ থেকে এমন যৌন ইঙ্গিতপূর্ণ ভাষা ও বিতর্কিত ছবি আশা করা যায় না। এমন বিকৃত যৌনাচার নিয়ে একজন শিক্ষকের কাছ থেকে এমন পোষ্ট আশা করে না।
এ বিষয়ে মাওয়া জান্নাতের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি বলেন, আমি বাংলাদেশ বেতারের তালিকাভুক্ত শিল্পি। আমি যে ছবিটা পোষ্ট করেছি সেটা বিখ্যাত একটা পেইটিং। সেটা মোটেও বিতর্কিত নয়। যারা পড়ালেখা করে না, যারা আমার ফেসবুকে থার্ডক্লাস নাগরিক তারা এমন প্রশ্ন তুলতে পারে। তিনি বলেন, আমি এগুলো আগেও পোষ্ট করেছি। এটা আমার কাছে নতুন না, বরং এটা আমার লেখা ও ভাষার স্বাধীনতা।
বিষয়টি নিয়ে চারুগৃহ স্কুলের প্রধান শিক্ষক আরেফিন অনু জানান, মাওয়া জান্নাত আমার প্রতিষ্ঠানে চাকরি কলেও তিনি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে একজন ভালো শিক্ষক। কিন্তু তিনি ফেসবুকে কি লেখেন না লেখেন সেটা তার একান্তই ব্যক্তিগত ব্যাপার। তিনি এসব লেখেন বলে তিনি আমার বন্ধু তালিকায় নেই।





