চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার শেখপাড়া কারিগরপাড়ায় এক ব্যক্তিকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে হাত-পা বেঁধে নগদ ৬০ হাজার টাকা লুটের অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার (১০ জুলাই) গভীর রাতে এ ঘটনা ঘটে। তবে ঘটনার প্রকৃত কারণ ও অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে তদন্ত করছে পুলিশ।
ভুক্তভোগী আক্তার মিস্ত্রি, তিনি শেখপাড়া কারিগরপাড়ার মৃত আব্দুস সাত্তারের ছেলে। বর্তমানে তিনি আলমডাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
পরিবারের সদস্যদের দাবি, সম্প্রতি একটি গরু বিক্রি করে পাওয়া ৬০ হাজার টাকা আক্তার মিস্ত্রি বাড়িতে রেখেছিলেন। শুক্রবার গভীর রাতে একদল দুর্বৃত্ত অস্ত্রের মুখে তাকে জিম্মি করে হাত-পা বেঁধে ফেলে। এরপর ঘরে থাকা নগদ ৬০ হাজার টাকা নিয়ে পালিয়ে যায় বলে অভিযোগ করেন তারা।
ঘটনার সময় আক্তার মিস্ত্রি আহত হন। পরে পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে আলমডাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
ঘটনার খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়। স্থানীয়রা দ্রুত ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, জড়িতদের শনাক্ত, লুট হওয়া টাকা উদ্ধার এবং দায়ীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।
তবে ঘটনাটি নিয়ে ভিন্ন পর্যবেক্ষণের কথা জানিয়েছেন স্থানীয় ইউপি সদস্য সাইদ মেম্বার। তিনি বলেন, ‘ঘটনাস্থলে গিয়ে ডাকাতির স্পষ্ট কোনো আলামত দেখতে পাইনি। তবে ৬০ হাজার টাকা নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ শুনেছি। তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা বেরিয়ে আসবে।’
আলমডাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বানি ইসরাইল বলেন, ‘অভিযোগটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। ঘটনাস্থল পরিদর্শনসহ বিভিন্ন দিক যাচাই-বাছাই চলছে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
পুলিশের তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত ঘটনাটিকে অভিযোগ হিসেবেই দেখা হচ্ছে। তদন্তের ফলাফলের ওপর নির্ভর করবে এটি পরিকল্পিত লুট, ডাকাতি নাকি অন্য কোনো ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। এদিকে ঘটনার পর শেখপাড়া এলাকায় নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে







